কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় মাঝে সজাগ প্রহরী টিকাকরন! - The News Lion

কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় মাঝে সজাগ প্রহরী টিকাকরন!

 


দি নিউজ লায়ন;  কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় মাঝে সজাগ প্রহরী টিকাকরন! টীকাকরনকে ঢাল করেই পরবর্তীত ঢেউ রুখতে চাইছে স্বাস্থ্যদপ্তর। মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকে অনুসরন করেই শিশুদের সুস্থ্য রাখতে সত্ত্বর শিলিগুড়ি পুরো এলাকায় মায়েদের টার্গেট গ্রূপ হিসেবে ধরে চলছে ভ্যাকসিন অভিযান।শিলিগুড়িতে শিশুর মায়েদের জন্য সংরক্ষিত থাকছে কোভিড টিকার ডোজ। আগামী ১৫ থেকে ৩০দিন সময়কে লক্ষ্যমাত্রা ধরেশিলিগুড়ি পুরো এলাকার ৫-১২বছর বয়সী সমস্ত শিশুর মায়েদের টিকাকরনের সম্পন্ন করার টার্গেট স্থির করছে পুরোনিগম। এই কাজে ওয়ার্ড ভিত্তিক মায়েদের তালিকা প্রস্তুত  করা হচ্ছে। 


শহরের সমস্ত মায়েরা যাতে টিকাকরনের আওতায় আসতে পারেন সেবিষটিতে নজর দিয়ে ওয়ার্ড ভিত্তিক আইসিডিএস কর্মী সহ আশা কর্মী ও বোরো কর্মীদের সমীক্ষার কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পুরনিগমের তরফে। সোমবার শিলিগুড়ি পুরনিগমে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন পুর কমিশনার ও পুরনিগমের চিকিৎসক। পুরনিগমের আওতায় চলা ১০টি ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডাঃ সঞ্জীব মজুমদার জানান মোট ১০টি মেডিকেল টিম রয়েছে পুরনিগমের কাছে। অতিরিক্ত সেন্টার ও নিয়মিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ধরে ১০জায়গায় একসঙ্গে টিকাকরন চালানো হচ্ছে। মায়েদের টীকাকরনের ওপর জোড় দিয়ে অতিরিক্ত টিকাকরন কেন্দ্র চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই শহরের কাঞ্চনঝঙ্গা স্টেডিয়ামের পাশাপাশি ১৫নাম্বার ওয়ার্ডে ফ্রেন্ডেস ইউনিয়ন ক্লাব ঘরে টীকাকরন শিবির হবে। পুরোকমিশনার সোনাম ওয়াংদি ভুটিয়া জানান মায়েদের জন্য অতিরিক্ত সেন্টার করে টীকাকরনে জোড় দেওয়া হয়েছে। প্রতি কেন্দ্রে ১৮০-২০০জনের টিকাকরন করা হচ্ছে। এছাড়া সবমিলিয়ে প্রতিদিন পুরোনিগমের আওতায় ৮-১০টি টিকাকরন কেন্দ্র চলছে।


 অন্যদিকে পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে এদিন স্বাস্থ্যদপ্তরের সঙ্গে বৈঠকে শিলিগুড়ি পুরো এলাকায় মায়েদের টীকাকরনের বিষয়টিকে মোক্ষম গুরুত্ব দেওয়া হয়। ১৫দিন থেকে একমাস সময়ের মধ্যে মায়েদের টিকাকরনের প্রক্রিয়া শেষ করার টার্গেট সম্পন্ন করতে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে দুটি অতিরিক্ত মেডিকেল টিমের প্রয়োজনীয়তার আবেদন জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রক্রিয়ায় গতি আনতে প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন ওয়ার্ডে অতিরিক্ত মায়েদের টিকাকরন সেন্টার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চলতি সপ্তাহে শহরের চারটি এলাকাকে অতিরিক্ত টিকা কেন্দ্রের জন্য ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে ওয়ার্ড ভিত্তিক আইসিডিএস কর্মীদের কাছ থেকে ৫-১২বছর বয়সী শিশুর মায়েদের তালিকা চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তালিকায় থাকা প্রত্যেক মায়েরা টিকা পেয়েছেন কিনা তা যাচাই করতে হাউস টু হাউস সার্ভে করা হবে। সেকাজে লাগানো হচ্ছে আশা কর্মীদের।পুরোনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে মায়েদের টার্গেট গ্রূপের টিকাকরন প্রক্রিয়া ত্রুটিমুক্ত রাখতে বোরো কর্মীদেরও লাগানো হচ্ছে এই কাজে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.