সোশ্যাল সাইটে গাড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারনা প্রতারনার ফাদে পড়লেন এক ব্যক্তি
দি নিউজ লায়নঃ একটি সোশ্যাল সাইটে গাড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারনার ফাদে পড়লেন উত্তর ২৪ পরগণা জেলার জেলা সদর বারাসতের বাসিন্দা সুপ্রিয় ঘোষ। সুপ্রিয়র অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বারাসত থানার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে ধৃতরা হল৷ রঞ্জন মজুমদার এবং রজত হালদার। পুলিশ এবং স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে বারাসতের বাসিন্দা সুপ্রিয় ঘোষ সম্প্রতি নিজের একটা গাড়ি বিক্রির জন্য একটা সোশ্যাল সাইটে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন।
১১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সে গাড়ি বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন।সেই বিজ্ঞাপন দেখে এক ব্যাক্তি যোগাযোগ করেন সুপ্রিয়র সাথে। ১০ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকায় গাড়ি বিক্রির রফা হয়।এরপর সুপ্রিয়র নিরদেশ অনুযায়ী ঐ ক্রেতার ব্যাংক ড্রাফ্টের একটা ছবি পাঠান। সুপ্রিয় সেই ব্যাংকে যাচাই করে জানতে পারেন ড্রাফটি জাল। ক্রেতাকে হাতেনাতে ধরার জন্য সুপ্রিয় বিষয়টি গোপনই রেখেছিলেন। এর মধ্যে ঐ ক্রেতা সুপ্রিয় ঘোষকে জানান গাড়ি নিয়ে আসার জন্য সে দুজনকে পাঠাচ্ছেন বারাসতে।
সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার বারাসতের চাপাডালি মোড়ে আসেন রজত হালদার এবং রঞ্জন মজুমদার। তারা ব্যাংকের একটি ড্রাফটও দেন সুপ্রিয়কে।জাল ড্রাফটের কথা অবশ্য তাদের জানিয়ে দেন সুপ্রিয়।পাশাপাশি তাদের মালিককে আসতে বলেন।নয়তো তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও বলেন।এই বিষয়ে সুপ্রিয় ঘোষ বলেন দেখা করা তো দুরের কথা।উল্টে তাকে ফোনে গালিগালাজও করেন বলেও জানান সুপ্রিয়।
তিনি বলেন অনেকক্ষন অপেক্ষার পরেও মালিক না আসায় ঐ দুজনকে বারাসত থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।রজত হালদার এবং রঞ্জন মজুমদার বলেন আমরা কাজ করি।আমাদের শুধু বলা হয়েছিল বারাসতের চাপাডালি মোড় থেকে একটা গাড়ি নিয়ে আসতে। প্রতারণার বিষয়টি আমরা কিছুই জানি না। বারাসত থানাত পুলিশ জানিয়েছে ধৃতদের এদিন বারাসত আদালতে হাজির করা হয়।৪ দিনের পুলিশি হেপাজতে নেওয়া হয়েছে।ধৃতদের জেরা করে এই প্রতারণা চক্রের সাথে যুক্ত ব্যাক্তিদের হদিশ পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Post a Comment