বাঁকুড়ায় শিশু পাচার কান্ডের কড়া নিন্দা করলেন সায়ন্তিকা
দি নিউজ লায়নঃ বাঁকুড়ায় শিশু পাচার কান্ডে এবার পদক্ষেপ করল শিশু সুরক্ষা কমিশন। আজ কমিশনের চেয়ারম্যান অনন্যা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে শিশু সুরক্ষা কমিশনের একটি দল আজ বাঁকুড়ায় যান। আজ বাঁকুড়া সার্কিট হাউসে প্রথমে কমিশনের চেয়ারম্যান বৈঠক করেন প্রশাসনিক আধিকারিকদের সাথে। পরে উদ্ধার হওয়া শিশুদের দেখতে হোমে যান কমিশনের প্রতিনিধি দল। গতকালই বাঁকুড়ার কালপাথর এলাকায় থাকা কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত জওহর নবোদয় বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে শিশু পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে।
গ্রেফতার হন ওই স্কুলের অধ্যক্ষ কমল কুমার রাজোরিয়া সহ ওই স্কুলেরই আরেক শিক্ষিকা। ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয় দুর্গাপুরের মেনগেট এলাকার আরো ৬ বাসিন্দা। উদ্ধার হয় পাঁচটি শিশু। একটি নামজাদা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু পাচারের মতো গুরুতর ঘটনায় যুক্ত থাকার প্রমাণ মেলায় বিষয়টিতে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করে শিশু সুরক্ষা কমিশন।
আজ বাঁকুড়ায় পৌঁছেই সার্কিট হাউসে তদন্তকারী আধিকারিক ও সমাজ কল্যাণ দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন কমিশনের চেয়ারম্যান অনন্যা চক্রবর্তী। তদন্তকারী আধিকারিকদের কাছে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন কমিশনের চেয়ারম্যান। সমাজ কল্যাণ আধিকারিকদের কাছে উদ্ধার হওয়া শিশুদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজ খবর নেন তিনি। পরে কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল যান বাঁকুড়ার একটি হোমে।
হোমে গিয়ে শিশুদের সাথে কথা বলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। পরে গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত অধ্যক্ষের ভূমিকার কড়া নিন্দা করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন কমিশনের চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, শিক্ষকদের আমরা সমাজের একটি উচ্চ স্তরে রাখি। সেখানে ওই শিক্ষকের এই ভূমিকা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই ধরনের ঘটনা এড়াতে আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। এদিন কমিশনের প্রতিনিধি দলের পাশাপাশি বাঁকুড়ার ওই হোমে যান তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও গোটা ঘটনার কড়া নিন্দা করে ওই অধ্যক্ষর শাস্তির দাবিতে সরব হন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই ঘটনায় নিন্দার কোনো ভাষা নেই। এই ঘটনায় যেই যুক্ত থাকুক না কেন তার কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার।

Post a Comment