বিজেপির মিডিয়া সেলের হোয়াটস আপ গ্রুপ থেকে কেন বেরিয়ে গেলেন সৌমিত্র খাঁ
দি নিউজ লায়ন; শনিবার বিকালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর এর একটি বেসরকারী লজে বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর। বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এই বৈঠকে সাংবাদিকদের উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়ে একটি মেসেজ পোস্ট করা হয় জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে তৈরী বিজেপির মিডিয়া সেলের একটি হোয়াটস আপ গ্রুপে ।
আর এই পোস্ট দেওয়ার পর পরই মিডিয়া সেলের ওই হোয়াটস গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যান বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। সূত্রের খবর পদ্ম শিবিরের রাজ্য সভাপতির জেলা নেতাদের নিয়ে শনিবার বিকালে যে বৈঠক হওয়ার কথা সেই বৈঠকেও উপস্থিত থাকবেন না সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। আর এই ঘটনা ক্রমকে ঘিরেই তৈরী হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। তবে কি বিজেপির সাংগঠনিক নেতৃত্বের সাথে কোথাও কি দূরত্ব বৃদ্ধি করছেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ? দলের অন্দরে মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিতি রয়েছে সৌমিত্র খাঁ এর। রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণের প্রেক্ষিতে তবে কি সৌমিত্র খাঁ এবার ভূল স্বীকারের পথে? প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল নেত্রী সুজাতা মণ্ডল বলেন, বিজেপিতে কোনো ভদ্রলোক থাকতে পারবে না। সৌমিত্র আজ গ্রুপ ছেড়েছে। কাল হয়তো দলটাও ছাড়তে পারেন। আর সেটা যদি হয় তাহলে বুঝব তাঁর শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে। বিজেপি চাপ দিয়ে সৌমিত্র খাঁর সাথে আমার স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছিল। সীতার অভিশাপে সোনার লঙ্কা একসময় পুড়ে ছারখার হয়েছিল। আর ২ মে বাংলার মানুষ বাংলার মা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে ২১৩ টি আসন তুলে দিয়ে বিজেপিকে আমার সংসার ভাঙার যোগ্য জবাব দিয়ে দিয়েছে । বিজেপি যে ৭৫ টি আসন জিতেছে তার মধ্যে অনেকেই তৃনমূলে আসার জন্য এখন ন্যাকা কান্না কাঁদছেন। আগামী ৭৫ দিন বিজেপি তাদের ৭৫ টি আসন ধরে রাখতে পারবে না।

Post a Comment