কোটালের আঘাত প্রতিহতের জন্য প্রস্তুত সেত দফতর- সৌমেন মহাপাত্র - The News Lion

কোটালের আঘাত প্রতিহতের জন্য প্রস্তুত সেত দফতর- সৌমেন মহাপাত্র

 


দি নিউজ লায়ন;    শনিবার ভরা কোটাল কতটা আঘাত হানবে সেটা কেউ জানেনা। যদিও এই আঘাত প্রতিহত করার জন্য সেচ দফতর সবরকম প্রস্তুতি নিয়েছে। বৃহস্পতিবার উলুবেড়িয়া ১ নং বিডিও অফিসে জেলার বিধায়ক সহ প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করতে এসে এই কথা বলেন রাজ্যের সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। এদিনের এই বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের মন্ত্রী পুলক রায়, হাওড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাবেরি দাস, সহকারী সভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্য, সেচ দফতরের মুখ্য বাস্তুকার সঞ্জয় কুন্ডু, হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য, হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার সৌম্য রায়, শ্যামপুরের বিধায়ক কালিপদ মন্ডল,বাগনানের বিধায়ক অরুণাভ সেন, আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল, পাঁচলার বিধায়ক গুলশান মল্লিক, সাঁকরাইলের বিধায়ক প্রিয়া পাল, জগৎবল্লভপুরের বিধায়ক সীতানাথ ঘোষ,ডোমজুড়ের বিধায়ক কল্যান ঘোষ সহ, উলুবেড়িয়ার মহকুমাশাসক অরিন্দম বিশ্বাস, উলুবেড়িয়া ১ নং ব্লকের বিডিও নিলাদ্রী শেখর দে সহ সেচ দফতরের আধিকারিকরা।


আগামী ২৬ জুন ভরা কোটালে নদীতে জলস্ফিতি হলে বড়সড় বিপদ আঘাত হানতে পারে। ইতিমধ্যে নবান্ন থেকে সমস্ত জেলাগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে সেচ দফতরকে। যেসব জায়গায় বাঁধের অবস্থা খারাপ সেদিকে নজর রাখার পাশাপাশি বালির বস্তা মজুত রাখতে বলা হয়েছে। আর নবান্নের নির্দেশ পাওয়ার পরেই হাওড়া জেলার নদী বাঁধগুলির অবস্থা এবং ভরা কোটালের জন্য কি কি ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে সেই নিয়ে পযালোচনা করেন সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। এদিন সেচ মন্ত্রী বলেন ভরা কোটাল দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া এবং বীরভূম ও হুগলী জেলার একটা অংশে প্রভাব ফেলতে পারে। আর সেই কারণে ক্ষতিগ্রস্থ নদী বাঁধগুলি দ্রুত মেরামত করা হয়েছে। এছাড়াও প্রয়োজনে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এদিন সেচ মন্ত্রী জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণ হোক আর আমরাও পযায়ক্রমে নদী বাঁধগুলি কংক্রিটের করব। সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র জানান বিশ্ব ব্যাঙ্কের আথিক সহয়তায় নদী বাধ সংস্কারের যে কাজ চলছে আগামী এক বছরের মধ্যে সেটা শেষ হয়ে গেলে আমতা উদয়নারায়নপুরের মানুষ বন্যার আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাবে।


প্রসঙ্গত ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পাশাপাশি ভরা কোটালে উলুবেড়িয়া, আমতার একাধিক জায়গায় বাঁধ উপচে জল ঢুকে একাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছিল। পাশাপাশি শ্যামপুরের ২৩ জায়গায় এবং বাগনানের ৩ জায়গায় বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছিল একাধিক গ্রাম। আর সেই কথা মাথায় রেখে শনিবারের কোটালের আগে বাড়তি সতর্ক জেলা প্রশাসন।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.