কাকিমার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয় স্ত্রীকে, ধর্ণায় স্ত্রী
দি নিউজ লায়ন; কাকিমার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয় স্ত্রীকে, ধর্ণায় স্ত্রী। শিলিগুড়ি বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষকে ফোন করে জানালেও বিষয়টিতে কোনো গুরুত্ব দেননি, পাল্টা বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে সম্মুখে চেপে যাওয়ার পরামর্শ দেন। স্ত্রী শ্বেতা ঘোষ জানান আড়াই বছর আগে ঘুঘুমালির বাদুড় বাগানের বাসিন্দা বিজেপি নেতা সঞ্জীব ঘোষের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। সঞ্জীব ডাবগ্রাম ফুলবাড়ী বিধানসভার বিজেপির ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন।
যদিও তিনি বিজেপি করেন তবে দলীয় কোনো পদে রয়েছেন কিনা সে বিষয়টি এড়িয়ে যান শহরের বিজেপি নেতারা।সঞ্জীব বাবুর স্ত্রী জানান বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি জানতে পারেন বাড়িতে ভেতরেই কাকিমা উমা ঘোষের(৪৬) সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বিজেপি নেতার। একাধিকবার শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের জানালেও তারা বিষয়টি মেনে নিতে বলেন। স্বামী বিজেপি নেতা সঞ্জীব বাবু এই বিষয়ে পাল্টা তার স্ত্রীকে মানসিক রুগী বলে চাপ দিতে লাগেন।
সম্প্রতি ৯ই মে জোড় পূর্বক স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন বিজেপি নেতা। ফোনে স্ত্রী পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানালে তাকে কাকুতি মিনতি করে বিজেপি সে বাড়ি ফিরে এলে আবার সংসার শুরু করবেন তারা। তবে বুধবার শ্বেতাদেবী স্বামীর বাড়িতে ফিরে এলে তাকে শ্বশুড়বাড়ির সদস্যেরা বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেয়। সঞ্জীব বাবু তার পরিবারের সদস্যরা স্ত্রীকে ঢুকতে দেননা বাড়িতে। এরপরই বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে স্বামীর অবৈধ সম্পর্কের কর্মকান্ড প্রকাশ্যে এনে শাস্তির দাবিতে ধর্ণায় বসেন।
তিনি বলেন পুলিশকে জানিয়েছি, সংসার করতে চাই আমি। তিনদিনের মধ্যে বিষয়টি দেখার কথা জানিয়েছে পুলিশ। উল্টোদিকে বিজেপি নেতা বিবাহ বিচ্ছেদের কথা বলে জানা স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করতে চান না তিনি। স্ত্রী শ্বেতা দেবী বলেন শিলিগুড়ি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে আমি জানাই পুরো বিষয়টি, যে মানসিক অত্যাচার হয়েছে তাও জানাই।সংসারটা শুধারের আবেদনও জানাই তার কাছে। তবে তিনি দেখবো বলে আর বিষয়টিতে কোনো গুরুত্ব দেননি। সংসার না ফিরতে পারলে আমার মৃত্যু ছাড়া কোনো পথ থাকবে না। আর মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবে স্বামী, শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের পাশাপাশি দলীয় নেতারা।

Post a Comment