নির্বাচনর আগেই কি মুখ থুবড়ে পড়ল বিরোধী ঐক্য, নির্বাচনে একাই লড়বে মায়াবতী
দি নিউজ লায়ন; আগামী বছরেই দেশের পাঁচ রাজ্যে অর্থাৎ উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখন্ড, পাঞ্জাব, মনিপুর ও গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক প্রস্তুতি। তবে এই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে সবথেকে বেশী ফোকাসে থাকতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ। রবিবার সকালে এক ট্যুইট বার্তায় বহুজন সমাজবাদী পার্টির (বসপা) সুপ্রিমো মায়াবতী জানিয়ে দিলেন, একমাত্র পাঞ্জাব ছাড়া উত্তরপ্রদেশ বা উত্তরাখন্ডের মতো রাজ্যগুলিতে তাঁর দল কারো সঙ্গে জোটের রাজনীতিতে যাবে না।
বরং নির্বাচনী ময়দানে একাই লড়বে বহুজন সমাজবাদী পার্টি। তবে একমাত্র পাঞ্জাবে আকালি দল শিরোমনির সঙ্গে বসপা জোট বাঁধবে। এছাড়া আসাদুদ্দিন ওয়েইসির মিম এর সঙ্গেও বসপা জোটের রাজনীতিতে যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মায়াবতী। রাজনৈতিক মহলের মতে, মায়াবতীর এই সিদ্ধান্ত আখেরে লাভবান করবে বিজেপিকেই। কারণ, পাঞ্জাবে বিজেপি শক্তিশালী না হওয়ায় সেখানে মায়াবতীর জোট সেই অর্থে বিজেপির উপরে কোনও প্রভাবই ফেলবে না। অন্যদিকে বাকি পাঁচ রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপি। ফলে বাকি রাজ্যগুলিতে মায়াবতী জোটের পথে হাঁটবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। যারফলে বিজেপি অনেকটাই সুবিধা পেয়ে যাবে।
আর বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই কি মায়াবতী জোটে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত! রাজনৈতিক মহলে চলছে আনা জল্পনা। অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির (সপা) নেতা অখিলেশ যাদবও ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাঁর দলও বাইশের নির্বাচনে জোটের পথে হাঁটবে না। বরং কেউ বিজেপিকে হারাতে চাইলে তাঁর দলকে সমর্থন করুক বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে ২০২২ সালের বিধানসভা ভোটে সকলের নজর থাকবে উত্তরপ্রদেশের দিকে।
২০১৭ সালের তুলনায় এবারে উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন যে অনেকটাই আলাদা হতে চলেছে তা স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের হাল ধরেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।ফলে কংগ্রেস এবারে উত্তরপ্রদেশের মাটিতে লড়াইয়ের ময়দানে ফিরে আসতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। মূলত ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির ভোট ভাগাভাগি বিজেপির জয় এনে দিয়েছিলো।তাই এবার বিরোধীরা প্রত্যেকেই জোট না বেঁধে এককভাবে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এর ফলে আখেরে ফের ভোট কাটকুটির অঙ্কে বিজেপিই শেষ হাসি হাসতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

Post a Comment