রেশন দোকানে চিনির মধ্যে পিপড়ে দেখে ক্ষুব্ধ বিডিও
দি নিউজ লায়ন; রেশন দোকানে ঢুকেই চোখ ছানাবড়া বিডিওর। চিনির বস্তায় পিঁপড়ের বাসা। তা দেখেই ডিলারকে কড়া ভাবে ভতসনা করলেন তিনি। আবার নির্দিষ্ট সময়ের আগেই রেশন দোকান বন্ধ। গায়েব ডিলার। যা দেখে ডিলারকে বাড়ি থেকে ডেকে পাঠিয়ে এনে সতর্ক করে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন ব্লকের খাদ্য দপ্তরের আধিকারিককে।
বুধবার সকালে বারুইপুর ব্লকের বিডিও মোশারফ হোসেন, ব্লক খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক সহ অন্যরা বারুইপুর ব্লকে রেশন দোকানের ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে সারপ্রাইজ ভিজিট করেন। শিখরবালি ২ ব্লকের ইন্দ্রপালা এলাকায় গিয়ে দেখেন রেশন দোকানই বন্ধ। অনেক বাসিন্দা বিডিওর কাছে অভিযোগ করেন, এই চিত্র প্রতিদিনের। মাঝে মধ্যে দোকান খোলা হয়। কোনও মাসে রেশন সামগ্রি দেওয়া হয় আবার কোনও মাসে দেওয়া হয় না। আবার রেশন ডিলারই নিজের মত নিয়ম বের করে নিয়ে রেশন দেয় গ্রাহকদের।
দোকানের ভিতর স্বাস্থ্য সন্মত ব্যাপারও খতিয়ে দেখেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। ভিতরে যত্র তত্র বিড়াল ঢুকে পড়ছে দেখে ডিলারকে তিরস্কার করা হয়। এমনকী, দোকানে কোন জিনিস মাপার বায়োমেট্রি মেশিন না থাকায় তার জবাব চাওয়া হয়। ডিলারকে বলা হয় কোনও জিনিস দেওয়া হবে গ্রাহকদের তা জানাতে হবে লিখে দিয়ে। এরপরে দক্ষিণ দুর্গাপুরে এক রেশন দোকানে যান বিডিও সহ আধিকারিকরা।
সেখানে অনেক গরমিল ধরা পড়ে ডিলারের কাছ থেকে। চিনির বস্তায় পিঁপড়ে দেখে অবাক হন বিডিও। সঙ্গে সঙ্গে ওই বস্তা পাল্টানোর নির্দেশ দেন তিনি। পরে বিডিও বলেন, ব্লকের ৮ টি টিম বিভিন্ন রেশন দোকানে ভিজিট করে। অনেক গরমিলও ধরা পড়ে। ব্লক খাদ্য দপ্তরের আধিকারিককে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

Post a Comment