দেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করার আগে করোনাই আক্রান্ত হয়েছিলো চীনা নাগরিক - The News Lion

দেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করার আগে করোনাই আক্রান্ত হয়েছিলো চীনা নাগরিক

 


দি নিউজ লায়ন;   ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করার আগে করোনাই আক্রান্ত হয়েছিলো  চীনা নাগরিক হান জুনওয়ে (৩০)। তখন সে বাংলাদেশ ছিলো। বাংলাদেশের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলো ওই চীনা নাগরিক । কোনরকমে দু'দিন কাটিয়ে সেখান থেকে ছুটি নিয়ে সংক্রমণ অবস্থাতেই ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা চালিয়েছিল ওই চীনা নাগরিক। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় নি । কালিয়াচক থানার মিলিকে সুলতানপুর এলাকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কর্তব্যরত বিএসএফ জাওয়ানেরা তাকে ধরে ফেলে। প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্তারা। ভারতে ভিসা যেহেতু বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল।


 সেজন্য ধৃত ওই চীনা নাগরিক বেশ কয়েকবার নেপাল এবং বাংলাদেশ সীমান্ত হয়েই অবৈধভাবে এদেশে এর আগেও প্রবেশ করেছিলো। কিন্তু এবারে তার সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। করোণা সংক্রমণ হওয়া সত্বেও কি কারনে তড়িঘড়ি অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করার পরিকল্পনা নিয়েছিলো ওই চীনা নাগরিক, তা নিয়েও কেন্দ্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে। যদিও ধৃত ওই চীনা নাগরিকের দিল্লির গুরগাঁও-এ হোটেলের ব্যবসা রয়েছে বলেও জানতে পেরেছে গোয়েন্দা কর্তারা । 


অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে ভারতে থেকে দিনের-পর-দিন কিভাবে তার সহকর্মীদের সাথে হোটেলের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল ওই চীনা নাগরিক তা জানার পর রীতিমতো হতবাক হয়ে গিয়েছে পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্তারা। শনিবার ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করার অভিযোগে চীনা ধৃত নাগরিককে মালদা আদালতে পেশ করে কালিয়াচক থানার পুলিশ। ওই চীনা নাগরিকের ছয় দিনের পুলিশি হেফাজতের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বিচারক। শনিবার সকাল দশটা থেকেই ওই চীনা নাগরিককে আদালতে তোলার আগে থেকেই পুলিশি নিরাপত্তা মুড়ে ফেলা হয় গোটা এলাকা। 


দুপুর ২ টা নাগাদ চীনা নাগরিক হান জুনওয়ে (৩০) কে মালদা আদালতে নিয়ে আসে কালিয়াচক থানার পুলিশ। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধৃত চীনা নাগরিককে সাত দিনে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু ছয় দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ১৮ জুন পুনরায় তাকে আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে , আদালতের নির্দেশে আপাতত ধৃত চীনা নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। যদিও চীনা ভাষা ছাড়া ইংরেজিতে কথা বলার দক্ষতা সেইরকম নেই ধৃত ব্যক্তির। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এক্ষেত্রে দোভাষি একজন ব্যক্তিকে নিয়ে আনার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। তাতে করে জিজ্ঞাসাবাদের জেরে অনেক তথ্য উঠে আসতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিশ।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.