আসিফ পাঁচ দিনের মধ্যে তৈরি করে ফেলে ২০ ফুট চওড়া এবং ৩০ ফুট উচ্চতার সুরঙ্গ
দি নিউজ লায়ন; ইন্টারনেট ঘেঁটে সুরঙ্গ তৈরীর দক্ষতা অর্জন করেছিল কালিয়াচকের একই পরিবারের চারজন খুনের মূল অভিযুক্ত আসিফ মহম্মদ । কিন্তু এই সুড়ঙ্গ তৈরি করতে প্রচুর পরিশ্রমের প্রয়োজন, এটা ভেবেই একজন রাজমিস্ত্রি এবং একজন লেবারকে জোগাড় করেছিল সে। এই সুড়ঙ্গ তৈরি করতে সময় লেগেছিল প্রায় পাঁচ দিন। তবে দুবার সে এই কাজে মিস্ত্রী এবং লেবার বদলেছিল। কিন্তু পছন্দের মতো কাজ না হওয়ায় মাঝপথে মিস্ত্রী ও লেবারদের তাড়িয়ে দিয়েছিল অভিযুক্ত ওই যুবক। প্রাথমিক তদন্তে এমনই তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারী পুলিশ কর্তাদের ।
২০ ফুট চওড়া এবং ৩০ ফুট উচ্চতার এই সুরঙ্গ দিয়ে মৃতদেহগুলো টেনেহিঁচড়ে গোডাউন ঘরে নিয়ে গিয়েছিল ওই পরিবারের ছোট ছেলে ধৃত আসিফ মহম্মদ। কিন্তু সেই সুরঙ্গ তৈরি করার সময় পরিবারের লোকেরা নাকি জীবিত ছিলেন। তাহলে কেন পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পারেন নি যে, কেন আসিফ এভাবে বাড়ির মধ্যে সুরঙ্গ তৈরি করছে । ধৃত আসিফ মহম্মদ পুলিশি জেরায় জানিয়েছে, সেই সময় পরিবারের জীবিত সদস্যদের জানিয়েছিল দরজা তৈরি করা হচ্ছে।
সুরঙ্গ সম্পর্কে কারোর কোন চিন্তা মাথার মধ্যে আসে নি। শুধু এই পরিকল্পনা নিজের মাথাতেই রেখেছিল কালিয়াচকের কফিন কিলার আসিফ মহম্মদ। সুরঙ্গের সামনে প্লাইবোর্ড দিয়ে আস্তরণ তৈরি করে দরজার মত করেও ঢাকা দিয়ে রাখা ছিল। পরিবারের চার সদস্যকে হঠাৎ করে খুনের সিদ্ধান্ত নেয় নি ধৃত আসিফ। জানুয়ারি মাস থেকে তার পরিকল্পনা ছিল পরিবারের চার সদস্যকে খুন করার। এমনকি দাদা রাহুল শেখ ওরফে আরিফ কেও খুন করার ছক কষেছিল মূল অভিযুক্ত আসিফ।
কিন্তু আরিফ সেই পরিস্থিতির কথা আগাম বুঝতে পেরেই পালিয়ে যায় বাড়ি থেকে, পুলিশি জেরায় এরকমই তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, পরিবারের চার সদস্যকে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আসিফ মহম্মদ একেক সময় একেক রকম বলছে। যদিও বিভিন্নভাবে জেরা করে এই খুনের বিশদ তথ্য ইতিমধ্যে তদন্তকারী পুলিশ কর্তাদের হাতে এসেছে। পুননির্মাণের খুনের ঘটনাটি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।

Post a Comment