আবার বাড়ছে কোটালের আতঙ্ক
দি নিউজ লায়ন; কয়েকদিন আগেই ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পাশাপাশি কোটালে নদীতে জলচ্ছাসে ২৩ জায়গায় নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছিল শ্যামপুর ২ নং ব্লকের ৪০টি গ্রাম। ঘরছাড়া হয়েছিল লক্ষাধিক মানুষ। আর আতঙ্কের সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আবার কোটালের আতঙ্ক গ্রাস করেছে বাসিন্দাদের। বাসিন্দাদের আশঙ্কা বর্ষার পাশাপাশি কোটালে নতুন করে বিপদ বাড়বে। যদিও প্রশাসনের দাবি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ভাঙা বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করেছে সেচ দফতর।
ঘূর্ণিঝড়ের পাশাপাশি নদীতে জলচ্ছাসে শ্যামপুর ২ নং ব্লকের ডিহিমন্ডলঘাট ১ ও ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত,নাকোল এবং শশাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার একাধিক জায়গায় বাঁধ ভেঙে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছিল। বিশেষ করে ঝুমঝুমি ভাঙা বাঁধ, ধুধুটি, গোপীনাথপুর,গাজোল এলাকার পরিস্থিতি সবথেকে খারাপ হয়েছিল। গত ৩০ মে পূর্ব মেদিনীপুরের মায়াচর যাওয়ার পথে সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র শ্যামপুরের ঝুমঝুমি ভাঙা বাঁধ পরিদর্শন করার পর যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের নির্দেশ দেন। আর তারপর থেকেই বাধ সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে ইতিমধ্যে আবহাওয়া দফতর শুক্রবার থেকে রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তা জারি করেছে এর পাশাপাশি কোটালে নদীতে জলচ্ছাসে বিপদ আরোও বাড়বে। তাদের বক্তব্য যদি ভালো করে বাঁধ মেরামত না করা হয় তাহলে পুনরায় বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা দেখা দেবে।
অন্যদিকে এদিন বাঁধ সংস্কারের কাজ পরিদর্শন করেন বিধায়ক কালীপদ মন্ডল, শ্যামপুর ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলি মোল্লা। তিনি জানান দ্রুত বাঁধ সংস্কারের কাজ চলছে। আমরা নিয়মিত কাজ পরিদর্শন করছি। এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। প্রশাসন সবদিক থেকে প্রস্তুত আছে বলে জানান জুলফিকার আলি মোল্লা।

Post a Comment