মহানন্দা নদীর বাঁধ পরিদর্শনে সাবিনা - The News Lion

মহানন্দা নদীর বাঁধ পরিদর্শনে সাবিনা

 


দি নিউজ লায়ন;  চাচোল মহাকুমার মালতিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মহানন্দা নদীর বাঁধের পরিস্থিতি তদারকি করলেন রাজ্যের সেচ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। সোমবার দুপুরে সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক রহিম বক্সীকে সঙ্গে নিয়ে মহানন্দা নদীর বিভিন্ন এলাকার বাঁধের কি অবস্থা রয়েছে , সেইসব পরিস্থিতি তদারকি করেন মন্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে চাচল ২ ব্লকের অন্তর্গত মালতিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু এলাকায় নদী বাঁধের সংস্কার এবং মেরামতির কাজ হয় নি এমন দাবি করেছেন এলাকার মানুষ।


 সেই পরিস্থিতির কথা শোনার পরই মন্ত্রী এদিন সকলের সামনে জানিয়েছেন , মালতিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে যে সব এলাকায় নদীর বাঁধের দুর্বল অবস্থা রয়েছে। দ্রুত সেগুলো মেরামতি করা হবে। ইতিমধ্যে একটি এলাকার বাঁধ সংস্কারের জন্য পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। মন্ত্রীর এই কথা শুনে খুশি প্রকাশ করেছেন মহানন্দা নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। উল্লেখ্য, চাচল ২ ব্লকের মালতিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মহানন্দা নদীর বাঁধ পরিদর্শন করেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন । 


পাশাপাশি মহারাজপুর এলাকার মহানন্দা নদীর একটি ক্যানেলো পরিদর্শন করেন মন্ত্রী । ওই ক্যানেলটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে রয়েছে বলেও মন্ত্রীর সামনে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান। এবং দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। এছাড়াও এদিন পীরগঞ্জ , যদুপুর , চন্দ্রপাড়া সুজাপুর, মহারাজপুর এলাকার মহানন্দা নদীর ভাঙ্গন এবং বাঁধের পরিস্থিতি তদারকি করেন মন্ত্রী। মহানন্দা নদীর এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর এদিন দুপুরে রতুয়া ২ ব্লকের সুলতানগঞ্জ হাইস্কুলে তৃণমূল নেতৃত্বের সাথে সভা করেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। 


সার্বিকভাবে এলাকার মানুষের সমস্যার সমাধান ও ভাঙ্গন রোধ করার জন্য দ্রুত কাজ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন।মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন , এদিন চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মহারাজপুর সহ বেশ কয়েকটি এলাকার মহানন্দা নদীর বাঁধের পরিস্থিতি তদারকি করেছি। কোন কোন এলাকায় বাঁধের অবস্থা দুর্বল রয়েছে , সেটিও খতিয়ে দেখা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে ১৩০০ মিটার বাঁধের একটি কাজের জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই টাকা বরাদ্দ হয়ে যাবে এবং কাজও শুরু করে ফেলবে সেচ দপ্তর। 

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.