22 বছরের নিম গাছের বসবাসের উপযোগী স্থানে স্থানান্তকরণ
দি নিউজ লায়ন; "গাছ লাগান গাছ বাঁচান" এখন স্লোগানে পরিণত হয়েছে! অনেকটা ইংরেজি সরি, থ্যাঙ্ক ইউ এই ধরনের নানা শব্দের মত! যা শুধু মুখ থেকে নির্গত হয়, অন্তর থেকে নয়।
তবে এমনও তো কেউ কেউ আছেন, যারা প্রকৃতপক্ষে সন্তানের চোখেই দেখেন গাছকে।
নদীয়ার শান্তিপুর শহরের আশানন্দ স্ট্রিটে, সুদীপ্ত মঠের 25 বছরের এক পুত্র কুড়ি বছরের কন্যার মতই ঘরের পেছনে, 22 বছরের সন্তান দাঁড়িয়েই মানুষ হয়েছে, বিনা পরিচর্যা এবং খরচেই !
তবে তার হৃষ্টপুষ্ট চেহারার বৃদ্ধি ঘটছিল না বাড়ির দেওয়ালের কারণে, অন্যদিকে বাপ ঠাকুরদার তৈরি বাড়িটিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলো। সুদীপ্ত বাবু পেশায় কাঠের, আসবাবপত্র বানান, গাছেদের মৃত্যু হলে তিনিই সৎকার করেন। হয়তো সেই কারণেই, গাছেদের আর্তনাদ অনেকটাই অনুভব করতে পেরেছেন তিনি। সন্তানসম নিমগাছটি কে তিনজন জনমজুর পাঁচ দিন ধরে গোড়ার মাটি আলগা করে, বহনের সুবিধার্থে ডালপালা এবং শাখামূল গুলিকে ছেঁটে পরিচিত পরিজনদের 15 জনের এর সহযোগিতায় স্থানীয় মুসলিম স্কুলের মাঠের একপাশে পুঁতে দেওয়া হয় আজ।
এ প্রসঙ্গে সুদীপ্ত মঠ জানান, দাদা সুশান্ত মঠ শান্তিপুর সাহিত্য পরিষদের নব ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্যে বিগত 3 বছর আগে দুটি গাছ স্থানান্তরিত করেছিলেন, তবে অত্যাধুনিক সেই যন্ত্রের ভাড়া অনেকটাই, ব্যয় ভার বহন করতে না পারার জন্য বিকল্প পথ হিসেবে, সাহায্য নেই আমার অনেক আত্মীয় স্বজন পাড়া-প্রতিবেশীদের। গাছটিকে স্থানান্তরিত করার পর থেকে, পরিবারের অন্য সদস্যদের মন ভারাক্রান্ত! তবে তার নতুন বাসস্থানের পাশে, খেলার সাথী হিসেবে অনেক চারা এবং বড় গাছ রয়েছে , আমি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী সে ভালো থাকবে উন্মুক্ত আকাশে , খোলা বাতাসে , তাদের পরিবেশে।

Post a Comment