জঙ্গলমহলে বিজেপির তিন নির্বাচিত সদস্য তৃনমূলে
দি নিউজ লায়ন; বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে বিজেপির তিন নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যর মোহভঙ্গ। বিজেপি ছেড়ে যোগ দিলেন তৃনমূলে। শনিবার ওই তিন পঞ্চায়েত সদস্য তৃনমূলে যোগ দেওয়ায় বাঁকুড়ার সারেঙ্গা ব্লকের বিক্রমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে সংখ্যালঘু হয়ে পড়ল বিজেপি। এরফলে ওই পঞ্চায়েতটি বিজেপির হাত থেকে তৃনমূলের হাতে চলে আসা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাঁকুড়ার রাইপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ১১ টি আসনযুক্ত বিক্রমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি ৬ টি, তৃনমূল তিনটি ও নির্দল দুটি আসনে জয়লাভ করে।
একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিজেপি ওই পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করে। গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই জঙ্গলমহলের মানুষের পাশাপাশি মোহভঙ্গ হতে শুরু করে বিজেপির নির্বাচিত সদস্যদের একাংশের। কিন্তু দলের চাপে বিজেপি থেকে বেরিয়ে আসা ছিল যথেষ্ট কঠিন। বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের তিনটি আসনে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয় তৃনমূল প্রার্থীরা। এতেই গেরুয়া শিবিরের বাঁধন কার্যত ছত্রখান হয়ে যায়। আর এরপর শনিবার বিক্রমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির নির্বাচিত সদস্যদের অর্ধেক সংখ্যক সদস্য গেরুয়া শিবির ছেড়ে যোগ দেন তৃনমূলে। সুন্দরী হেম্ব্রম, শিবদাস সিং ও নিয়তি মল্ল নামের ওই তিন নির্বাচিত বিজেপি সদস্য শনিবার বাঁকুড়ার তৃনমূল ভবনে হাজির হয়ে তৃনমূলের পতাকা কাঁধে তুলে নেন।
তাঁদের হাতে এই পতাকা তুলে দেন দলের জেলা সভাপতি শ্যামল সাঁতরা। বিজেপির তিন পঞ্চায়েত সদস্য একসাথে তৃনমূলে যোগ দেওয়ায় ওই পঞ্চায়েতে বিজেপির বর্তমান আসন সংখ্যা দাঁড়ায় মাত্র তিন। তৃনমূল ৬ টি আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ওই পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের ক্ষমতা লাভ করে। শনিবার নবাগতদের হাতে দলের পতাকা তুলে দিয়ে তৃনমূলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি শ্যামল সাঁতরা বলেন, তৃনমূল ওই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করে আগামীদিনে মানুষের উন্নয়নের কাজে লাগবে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমূখী প্রকল্প ওই পঞ্চায়েতের মানুষ যাতে আরো বেশি বেশি করে পায় সে ব্যাপারে সচেষ্ট হবে নবগঠিত পঞ্চায়েত বোর্ড।

Post a Comment