সিংহের শরীরে কোভিড সংক্রমন মেলার পরই বেঙ্গল সাফারিতে বন্যপ্রানিদের ক্ষেত্রে মজবুদ করা হচ্ছে সুরক্ষা বলয় - The News Lion

সিংহের শরীরে কোভিড সংক্রমন মেলার পরই বেঙ্গল সাফারিতে বন্যপ্রানিদের ক্ষেত্রে মজবুদ করা হচ্ছে সুরক্ষা বলয়

 


দি নিউজ লায়ন;   সিংহের শরীরে কোভিড সংক্রমন মেলার পরই বেঙ্গল সাফারিতে বন্যপ্রানির ওপর বিশেষ নজর। পশ্চিমবঙ্গ জু অথোরিটির তরফ থেকে একাধিক উপসর্গ চিহ্নিত করে বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষায় নয়া নির্দেশিকা পাঠানো হলো সাফারিকে। হাদ্রাবাদের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সে বিষয়টিকে মাথায় রেখে সাফারির বন্যপ্রাণী সুরক্ষা বলয়ের ঘেরাটোপ বাড়ানো হয়েছে। সাফারির ডিরেক্টর বাদল দেবনাথ জানান বন্য প্রাণীদের এনক্লোজার থেকে নাইট শেল্টার দফায় দফায় জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। অল্প কিছুটা সময় তাদের বাইরে খোলা এনক্লোজার ছেড়ে ফের শেল্টারে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের খাবার ও দেখভালের জন্য যাদের এনক্লোজারের শেল্টারের কাছাকাছি যেতে হয় সেসমস্ত কর্মীদের পিপিকিট ও গ্লাভস ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। 


বন্যপ্রাণীরা কর্মীদের সরাসরি সংস্পর্শে যাতে না আসে সে বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।  বাইরে থেকে আসা প্রাণীদের জন্য খাদ্য সরবরাহকারী কোনো গাড়িকেই পার্কের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছেনা। কর্মীরা খাবার নিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি সাফারির বন্যপ্রাণীদের খাবার,ওষুধ-পত্র প্রদানের কাজে ব্যবহৃত গাড়ি গুলিকেও এনক্লোজারের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এনক্লোজারের বাইরে গাড়ি দাড় করিয়ে কর্মীরা পিপিই কিট গ্লাভস পড়ে স্যানিটাইজেশন যাবতীয় সচেতনতা নিয়ে খাবার ও ওষুধপত্র বন্যপ্রাণীদের প্রদান করছে। ডিরেক্টর জানান রাজ্য জু কর্তৃপক্ষের তরফে নতুন একটি নির্দেশিকা এসেছে হায়দ্রাবাদের ঘটনার পর। তাতে এই সমস্ত সচেতনতা মূলক বিষয়ের ওপর অধিক গুরুত্বআরোপের পাশাপাশি পরিষ্কার ভাবে বলা রয়েছে প্রাণীদের জ্বর,সর্দি, কাশি, তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া এ সমস্ত উপসর্গ দেখা দিলে তাদের রক্ত, মল-মূত্র, লালরসের নমুনা দেশের নির্দিষ্ট পশু চিকিৎসার রিসার্চ সেন্টারে পাঠাতে হবে। সেখানে পরীক্ষার পর সংক্রমন রয়েছে কিনা জানানো হবে।


 ততদিন অন্যান্য প্রাণীদের থেকে পৃথক শেল্টারে আইসোলেশনে রাখতে হবে ওই প্রাণীটিকে। সাফারির বন্যপ্রাণীদের চিকিৎসক নিকদোলে জানান যাতে বন্যপ্রাণীরা  কর্মীদের সংস্পর্শে না আসে সেবিষয়টির ওপর বিশেষ ভাবে নজর রাখা হচ্ছে। কারন এখনও যা প্রমান মিলেছে তাতে পরিষ্কার নয় যে করোনার সংক্রমন মানব দেহ থেকে পশুপাখিদের দেহে স্থানান্তরিত হয়ে ভাইরাসটি নিজের হোস্ট তৈরি করছে কিনা। উপসর্গ দেখা দিলে তাদের রক্ত, মল মূত্রের নমুনার পাশাপাশি ঘুম পাড়ানি গুলি প্রয়োগ করে তাদের লালরস সংগ্রহ করে আরটি পিসিআর টেস্টের জন্য পাঠানো কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়। তিনি বলেন আমরা প্রতিদিন রুটিন পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখছি পার্কের সমস্ত পশুপাখিদের।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.