আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ দখলের স্বপ্ন পূরণ হলো না বিজেপির
দি নিউজ লায়ন; আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ দখলের স্বপ্ন পূরণ হলো না বিজেপির। বিধানসভা ভোটের আগেই আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের মেন্টর তথা তৃণমূল নেতা মোহন শর্মা বিজেপিতে যোগদান করেন। মোহনের সঙ্গে কালচিনির আরো এক জেলা পরিষদ সদস্যা পদ্মা রায় ভাজপায় যোগদান করেন। এই দলবদলের জেরে ১৮ আসনের আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ তৃণমূলের হাতছাড়া হচ্ছে বলে তুমুল জল্পনা ছড়ায়। এমনকি বিজেপিতে যোগদানের পর এই মোহন বাবু দাবি করেছিলেন যে কোন সময় আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ বিজেপি দখল করতে পারে। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সেই স্বপ্ন আর সফল হলো না বিজেপির।
এমনকি আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে বিজেপিতে যোগদান করার কোন সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার হাল ছেড়ে দিয়ে হতাশ আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের প্রাক্তন মেন্টর মোহন শর্মা বলেন, " বাম আমলে আমি ১৮ বছর জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের বিরোধী আসনে বসে রাজনীতি করেছি। ফলে প্রয়োজন হলে আমি আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের বিরোধী আসনে বসব। তাতে আমার কোন অসুবিধা হবেনা।" উল্লেখ্য গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৮ আসন বিশিষ্ট আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের ১৭ আসনে জয়লাভ করে তৃণমূল। জেলা পরিষদের বোর্ড গঠনের সময় আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি হন কুমারগ্রামের শিলা দাস সরকার।
এই জেলা পরিষদে সরকার মনোনীত মেন্টর হন বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা মোহন শর্মা। পরে মোহন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। মোহন শর্মা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পর জেলা পরিষদ হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু রাজ্যে ফের তৃণমূল কংগ্রেস শাসন ক্ষমতায় বসায় সেই জল্পনা কার্যত অবসান হয়ে গেছে। আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মৃদুল গোস্বামী বলেন, " যারা দল ছেড়ে চলে গেছে আমরা তাদের নিয়ে ভাবছি না। আমাদের দল রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে। আলিপুরদুয়ারে ও লোকসভা নির্বাচনের থেকে ভালো ফল করেছে দল। তার ফলে জেলা পরিষদ হাতছাড়া হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।"

Post a Comment