মাঝরাতে খয়রাসোলের গ্রামে ঢুকে তান্ডব দুষ্কৃতীদের, নিহত ১, আশঙ্কাজনক আরও ৯
দি নিউজ লায়ন; ভাজপার স্ক্রিপ্ট ফলো করে যখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিনিধিদল নানুর পরিদর্শন করছেন তখন বীরভূমের দুবরাজপুরে তৃণমূলের ওপর হামলা ভাজপার দুষ্কৃতীদের। একের পর এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলা পার্টি অফিস ভাঙচুর দুষ্কৃতীদের মারে নিহত একজন তৃণমূলকর্মী গুরুতর জখম আর ন'জন তৃণমূল কর্মী। নিহত তৃণমূল কর্মীর নাম কান্ত বাউরী।
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো গত কয়েকদিন ধরে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপি হামলা চালাতে পারে এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে একাধিকবার জেলার পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যত কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ তৃণমূলের এমনকি শুক্রবার রাতে যখন হামলা চলছে এবং শনিবার সকালে যখন একের পর এক তৃণমূল কর্মীর বাড়ি পাটিঅফিস ভাঙ্গা হচ্ছে তখন একাধিকবার পুলিশ সুপারকে ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপে অভিযোগ জানানো হলেও পুলিশ কোনো রকম ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি তৃণমূলের সমস্ত ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর বিশাল পুলিশবাহিনী পাঠানো হয় যদিও কোন দুষ্কৃতীকেই ধরা যায়নি।
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে শুক্রবার রাতে বীরভূমের খয়রাশোল থানার মুক্তিনগর গ্রামে আচমকা হামলা চালায় ভাজপা দুষ্কৃতীরা একাধিক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলা হয় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয় শনিবার সকালে একজন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। হামলা করা হয় স্থানীয় তৃণমূল নেতা মাখন মুখার্জির বাড়িতে। বাইরে ছুড়ে ফেলা হয়, গাড়ি, মোটর বাইক ভেঙে ফেলা হয়। দুবরাজপুর বিধানসভা আসন টি এবার বিজেপি যেতে। তারপর থেকে বিজেপি কর্মীরাতৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা শুরু করে। গত কয়েকদিন থেকে দুবরাজপুর বিধানসভার বিভিন্ন গ্রামে বিজেপি কর্মীদের চোখরাঙানি শুরু হয়। তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্য করে চলে কটুক্তি। তৃণমূলের দাবি প্ররোচনামূলক কথাবার্তা বলেন এলাকায় দাঙ্গার চেষ্টা করছে বিজেপি।
তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতা শ্যামল বাগদি নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে , নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দুবরাজপুর বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থী অনুপ সাহা জিতে যাওয়ায় বিজেপি কর্মীরা গ্রামে গ্রামে তৃণমূল কর্মীদের হুমকি দিয়েছিল গ্রামছাড়া করার। স্থানীয় বিজেপির মন্ডল সভাপতি কার্তিক দাস বিজেপির হার্মাদ বাহিনী নিয়ে এলাকায় সন্ত্রাস কায়েম করছে । বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র এিপাঠীকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেনি। খুন ও হামলার ঘটনায় গ্রেফতারের সংখ্যা হোয়াটসঅ্যাপে জানতে চাইলে, কোনো উওর পুলিশ সুপার দেন নি।

Post a Comment