অতীত অভিজ্ঞতা থেকে এবার আগেভাগেই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছিল হাওড়া পুর প্রশাসন
দি নিউজ লায়ন; ঘূর্ণিঝড় আমফানের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার হাওড়ার পদ্মপুকুর পানীয় জল উৎপাদন প্রকল্পে আগে থেকেই নজর দিয়েছিল পুর প্রশাসন। পদ্মপুকুরের এই পানীয় জল উৎপাদন কেন্দ্রটির বেশিরভাগ অংশ গত বছর আমফানের জলের তলায় চলে যায়। পানীয় জল সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত পাম্পগুলিও জলের তলায় চলে যাওয়ায় শহরের বিস্তীর্ণ অংশে পরিষেবা থমকে গিয়েছিল।
সেই অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে এবার পুরসভা জমা জল সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত চারটি সেখানে পাম্প মজুত রেখেছিল। এর জন্য নতুন চারটি পাম্প কেনা হয়েছিল। পাশাপাশি ওই এলাকার নিকাশিনালা থেকে পলি তোলা, কিছু সংস্কারের কাজ দ্রুত করা হয়েছিল। বৃষ্টিতে খুব বেশি জল যাতে না জমে তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। যেটুকু জল জমবে, তা পাম্পগুলি কাজে লাগিয়ে সঙ্গে সঙ্গে অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। কেএমডিএ’র সঙ্গে কথা বলে ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত ৫০টি জলের ট্যাঙ্ক ভরে রাখা হয়েছে। প্রচুর পানীয় জলের পাউচও সংগ্রহ করে রেখেছে পুরসভা।
প্রয়োজনের ভিত্তিতে তা বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হবে। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও জল প্রকল্পের কাজ থমকে যাবে। তাই সিইএসসি’র বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারদের সোমবার থেকেই নজরদারি চালানো হয়। জল প্রকল্পের পরিষেবা অব্যাহত রাখতে সেখানে একটি কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়। অন্যদিকে, হাওড়া শহরের ১৬টি স্কুলকে আপদকালীন আবাস হিসেবে ঘোষণা করে প্রশাসন। আগে থেকেই টালির চালের বাড়ি, ভগ্নপ্রায় বাড়ির বাসিন্দাদের স্কুলগুলিতে সরিয়ে আনা হয়। তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।

Post a Comment