বন প্রতিমন্ত্রী পদ পেলেন বিরবাহা,ঝাড়গ্রামে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল কর্মীরা
দি নিউজ লায়ন সিধু ও কানুর মুর্তিতে মাল্যদান করে মন্ত্রী সভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠনের উদ্যেশে সোমবার ঝাড়গ্রাম থেকে রওনা দিয়েছিলেন বিরবাহা হাঁসদা। ঝাড়গ্রাম বিধানসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করে প্রায় ৩৯ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী বিরবাহা হাঁসদা । ঝাড়গ্রাম জেলার চার বিধানসভার আসনেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল ।
বিরবাহা হাঁসদা ঝাড়খন্ড (নরেন) পার্টির প্রতিষ্ঠিতা নরেন হাঁসদার মেয়ে । সাঁওতালি সিনেমার অভিনেত্রীও তিনি। কিন্তু প্রায় দুই বছর আগেই সিনেমা জগৎ থেকে বেরিয়ে সমাজসেবা মূলক কাজ শুরু করছিলনে বিরবাহা। বিধানসভা ভোটে ঝাড়গ্রাম আসনে তৃণমূলের হয়ে দাঁড়ানোর প্রস্তাব পায় বিরবাহা হাঁসদা। রাজি হয়ে কলকাতায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করে বিরবাহা। তারপরেই মনেপ্রাণে তৃণমূলের হয়ে লড়াই শুরু করে বিরবাহা।
ঝাড়গ্রামে বিজেপির প্রার্থী বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুখময় সৎপতি কে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিরবাহা এবার বন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হলেন। বন দফতরের প্রতিমন্ত্রীর পদে শপথ নিয়ে নবান্নে মন্ত্রী সভার প্রথম বৈঠকে যোগ দেন। এর পর ঝাড়গ্রাম এসেই প্রথমে তিনি জেলা তৃণমূলের কার্যালয়ে যান। সেখানে তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে সংবর্ধনা জানান জেলা ও শহর তৃণমূলের নেতা নেতৃবৃন্দরা। তারপর ঝাড়গ্রাম পৌরসভার ১৮নং ওয়ার্ডে যান তিনি।
সেখানেও উচ্ছ্বসিত তৃণমূল কর্মীরা তাঁর পা ধুয়ে এবং ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করেন নেন রাজ্যের বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা কে। এদিন মন্ত্রী পদ পেয়ে ফিরেই বিরবাহা বলেন, "খুব ভালো লাগছে আমার উপর আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভরসা রেখেছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই ঝাড়গ্রাম বিধানসভার মানুষদের। আমি ভোটের সময় যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সেই যে মানুষের দরজায় দরজায় তাদের কাছে গিয়ে দাঁড়াবো, তাদের জন্য কাজ করবো সেটা আমি এখনও বলছি।"

Post a Comment