প্রয়োজনীয় সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে মালদা জেলা পরিষদ দখলে রাখছে তৃণমূল
দি নিউজ লায়ন; ভেস্তে গেল ভাজপার চক্রান্ত। প্রয়োজনীয় সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে মালদা জেলা পরিষদ তৃণমূল ই দখলে রাখছে। স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে সভাধিপতি কে হবেন, তা নিয়েই আলোচনা চলছে দলের অন্দরে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ১৪ জন সদস্য নিয়ে বিজেপি-তে যোগ দেন সভাধিপতি গৌড় মণ্ডল। সভাধিপতি দল ত্যাগের পর পরই বিজেপি-র তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল, মালদা জেলা পরিষদ তাদের তখলেই চলে গেছে।
৩৮ আসনের মালদা জেলা পরিষদের ৬টি পেয়েছিল বিজেপি। ২টি পায় কংগ্রেস। ২৯টি পায় তৃণমূল। একটি আসনে ভোট হয় নি। বিধানসভা ভোটের আগে দল ছাড়ার পর গৌর দাবি করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে ১৪ জন সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া বিজেপি-র রয়েছেন ৬ জন। ফলে মালদা জেলা পরিষদ বিজেপি-র হাতেই চলে গেছে। দল ছাড়ার পুরস্কার স্বরূপ সভাধিপতি গৌর মণ্ডলকে মানিচকচক থেকে দাঁড়ানোর টিকিট দেয় বিজেপি।
কিন্তু নির্বাচনে তৃণমূলের সাবিত্রী মিত্রের কাছে ৩৩হাজার ৮৭৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি। স্বাভাবিক কারণেই নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সব অঙ্কই ওলোটপালট হয়ে গিয়েছে। এখন গৌরকে সভাধিপতির পদ থেকে সরিয়ে নতুন সভাধিপতি কে হবেন, তা নিয়ে চলচে জোর আলোচনা। এর মধ্যে বেশ কয়েকজনের নামও উঠে এসেছে সভাধিপতির দৌড়ে। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন চন্দনা সরকার। বর্তমানে তিনি জেলা পরিষদে সহ সভাধপিতর পদে রয়েছেন।
তাছাড়া মহিলা মুখও তিনি। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বিজেপি-র বিধায়ক স্বাধীন সরকারকে হারিয়ে দিয়েজেন তিনি। পুরস্কার স্বরূপ সভাধিপতির পদটা পেতে পারেন তিনি। সভাধিপতির দৌড়ে রয়েছেন উজ্জ্বল চৌধুরিও। বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে মালদা জেলা পরিষদে সদস্য রয়েছেন তিনি।
জেলা তৃণমূলের সভাপতি মৌসম নুর জানিয়েছেন, কোভিডের কারণে জেলা পরিষদের অনাস্থা প্র্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। দলের নির্দেশ এই সময় কিছু করা যাবে না। করোনার প্রকোপ কমলে জেলা পরিষদে গৌর মন্ডলকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে তিনি জানিয়েছেন, জেলা পরিষদ তৃণমূলেরই থাকছে। সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্য তৃণমূলেরই রয়েছে।

Post a Comment