হলদিয়ার গণনা কেন্দ্রের তালা খোলা ট্রাঙ্ক থেকে উদ্ধার নন্দীগ্রাম বিধানসভার ইভিএম
দি নিউজ লায়ন ; নন্দীগ্রামে ভোট গণনায় কারচুপি স্পষ্ট। এবার হলদিয়ার গণনা কেন্দ্র থেকে তালা খোলা ট্রাঙ্ক থেকে উদ্ধার হল কমপক্ষে 10 থেকে 12 টি ইভিএম। সবকটি ইভিএম নন্দীগ্রাম বিধানসভার সামসাবাদ এলাকার বলে খবর। বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকের তৎপরতায় হলদিয়া গণনা কেন্দ্রে থেকে স্ট্রং রুমের নথিপত্র স্থানান্তরের সময় নন্দীগ্রামের ইভিএম ভর্তি একটি ট্রাঙ্ক তালা বিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ সেগুলিকে বাজেয়াপ্ত করে। প্রশ্ন উঠছে, যে ট্রাঙ্কে ইভিএম রয়েছে সেটি তালা খোলা অবস্থায় কেন থাকবে?
তাহলে কি ইভিএম বদলে ফেলা হয়েছিল গণনার সময়। যদিও শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের কোনো রকম প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তৃণমূলের অভিযোগ, যেভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রথমে জয়ী ঘোষণা করার পর কয়েক মিনিটের মধ্যে তা বদলে ফেলে শুভেন্দুকে জয়ী ঘোষণা করা হয় সেখান থেকেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল ভোট গণনায় ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। 40 মিনিট ভোট গণনা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়।
এই সুযোগে ইভিএম বদলে দেয়া হয়েছে। গোটাটাই হয়েছে শুভেন্দু তৎকালীন নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিক এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের মিলিত ষড়যন্ত্রে।তৃণমূলের দাবি, ২ মে গণনা শেষ হবার পর থেকে হলদিয়ার এই ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে একাধিক নথিপত্র, ইভিএম ভর্তি ট্রাঙ্ক সরানোর চেষ্টা করেছিল নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। তৃণমূলকর্মীরা ধরনায় বসে থাকায় তা সম্ভব হয়নি এবার ধীরে ধীরে আসল সত্য সামনে আসছে। তৃণমূলের দাবি পুলিশ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করুক কিভাবে ইভিএম বদল হয়েছিল সেই সত্য তাহলে সামনে আসবেন।

Post a Comment