অভিষেকের সভা ঘিরে প্রত্যন্ত গ্রামে আছড়ে পড়লো উৎসব, বসলো মেলা
দি নিউজ লায়ন; অভিষেকের সভা ঘিরে প্রত্যন্ত গ্রামে আছড়ে পড়লো উৎসব। দিদিই তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হবেন তুমুল উৎসাহী বিমলা রায়,বেবি বর্মন,
সরিপা খাতুনেরা। আমরা এক থালায় খাই। কেউ ভালো কিছু রান্না করলে অপরজনের বাড়ি গিয়ে তা দিয়ে আসি। আমরা এভাবেই থাকতে চাই আমরা বিজেপির ভেদাভেদ, জাতেজাতে দাঙ্গা চাইনা এভাবেই একযোগে বিজেপিকে রুখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসীদেওয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বাতাসি সভায় এসে রানীগঞ্জ পানিশালির গ্রাম পঞ্চায়েতের গৃহবধূ থেকে খেটে খাওয়া মহিলারা। বিমলা রায়ের বয়স প্রায় ৫৫। তিনি বলেন দিদির জন্য নাতনীটা সাইকেল পেয়েছে, অস্পষ্ট ভাষায় বলেন কিসব লাইনে পড়াশুনো করতে হচ্ছে এখন তারজন্য মোবাইল পেয়েছে।
তার কথা শেষ না হতেই বেবী বর্মন বলেন আমার স্বামী এনবিএসটিসিতে ঠিকা কাজ করে। কন্যাশ্রী করে মেয়েটার পড়াশুনোর খরচ দিদি দিয়েছে জন্যই কলেজের পড়াশুনোটা করাতে পারছি। এটা বাংলার নিজের মেয়ে ছাড়া কে বুঝবে বলুন। বিজেপি এলে সব নষ্ট হয়ে যাবে। বেবী বর্মনের মুখে বিজেপির কথা শুনেই কাঁচুমাচু মুখে করে পাশ থেকে এক মহিলা বলে ওঠেন নানা ওসব বলোনা দিদিকেই চাই। নাম জিজ্ঞেস করায় তৎক্ষনাৎ বেবি বর্মন বলে ওঠেন আমরা একসঙ্গে মিলেমিশে রয়েছি, ও নিজে কাজ করে সংসার চালায়। তখন ওই মহিলা বলতে শুরু করেন আমার নাম সরিপা খাতুন। আমাদের এলাকায় জাতপাত নিয়ে কোনো ভেদাভেদ নেই।
কিন্তু সম্প্রতি বিজেপি কর্মীরা পাড়ায় এসে নানারকম কথা বলছেন। প্রার্থীও আমার বাড়িতে ঢোকেনি।পরে বুঝতে পারলাম ওরা এলাকার মুসলিম বাড়িগুলো মারাতে চায়না। দিদি রাজ্যে জাতিভেদ হয়না। এতবছরে কখনও মনেও হয়নি। দিদি যত কাজ করছেন তা জন্যই তো তার সঙ্গে রয়েছি সকলে।সোমবার বাতাসিতে ফাঁসীদেওয়া কেন্দ্রের প্রার্থী ছোটন কিস্কুর নির্বাচনী প্রচারে আসেন তৃনমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার সভা ঘিরে চা বাগান ঘেঁষা জনসভার মাঠে মেলা বসে যায়। মিষ্টি, চাউমিন,আইসক্রিমের দোকান বসে রীতিমতো মেলার আমেজ তৈরি হয় এদিন। সভার যোগদানকারী সমর্থকদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ লক্ষ করা যায়। একসঙ্গে কেউ ম্যাক্সি ট্যাক্সী করে তো কেউ টোটোয় চেপে ফ্ল্যাগ হাতে শ্লোগান দিতে দিতে সভায় এসে উপস্থিত হন।ফেরার পথেও বহাল থাকে তাদের সেই উৎসাহ।

Post a Comment