বিজেপির জেলা সভাপতি লক্ষন ঘোড়ুইর বিরুদ্ধে চারিত্রিক দোষের বিষ্ফোরক অভিযোগ
দি নিউজ লায়ন; একসময় লক্ষণ ঘড়ুই র ঘনিষ্ঠ ছিলেন আজকের বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চার নেত্রী চন্দ্রমল্লিকা গোস্বামী ব্যানার্জি। বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি লক্ষণ ঘোড়ুই দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভায় বিজেপির প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তারপর প্রথমদিকে চন্দ্রমল্লিকা দেবীকে তার সাথে প্রচারের সঙ্গী হতেও দেখা গিয়েছিল।কিন্তু শনিবার হটাৎ লক্ষন ঘোড়ুই র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য নেত্রী চন্দ্রমল্লিকা গোস্বামী ব্যানার্জিকে। তিনি বলেন ""লক্ষণ ঘড়ুই দুশ্চরিত্র। তিনি বিভিন্ন ভাবে দলের পুরোনো কর্মী দের লাঞ্ছনা-বঞ্চনা করেছেন।""
শুধু মুখে বলেই ক্ষান্ত নন তিনি। লক্ষণ ঘড়ুই এর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে নির্দল প্রার্থী হিসাবে দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্র থেকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা জানান তিনি। বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভাঙ্গন ধরেছে বিজেপিতে।আদি বনাম নব্য লড়াই চলছে।কিন্তু দুর্গাপুরে বিজেপির এই মহিলা নেত্রীর অভিযোগ লক্ষন ঘোড়ুই প্রার্থী হওয়ার কারনে ক্ষোভে ফুঁসছে দলের কর্মীদের একটা বড় অংশ।
তাই বিজেপির ভোট যাতে করে ক্ষোভে অন্য শিবিরের প্রার্থীর দিকে না যায় তাই চন্দ্রমল্লিকা দেবী নির্দল প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানান।তিনি লক্ষন ঘোড়ুই র বিরুদ্ধে বিষ্ফোরক অভিযোগ করেন। যা শুনে লক্ষন ঘোড়ুই জানান,উনি বিজেপির জেলা কমিটির কেও নন।আর উনার কথার আর কি উত্তর দেব?উনি একসময় জেলার মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ছিলেন।উনার যা বলার রাজ্য নেতাদের বলুন।আমি কিছুই বলব না।উনি প্রার্থী হবেন তাই আমার বিরুদ্ধে বলছে কিন্তু মানুষ আমার সঙ্গে আছেন।
তবে এই ঘটনায় দুর্গাপুরে যে বিজেপির নেতা কর্মী রা কিছুটা হলেও বিড়ম্বনায় পড়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।আর এই ঘটনায় বিজেপি বিরোধী প্রধান ঘাসফুল শিবিরের জেলা নেতা উত্তম মুখোপাধ্যায় বলেন যে, ""বিজেপি নেতাদের চারিত্রিক দুর্বলতার ঘটনা এই প্রথম নয়।দুর্গাপুর পুর্ব কেন্দ্রের প্রার্থীকেও দেখা গেল নীল ছবির খলনায়ককে সঙ্গে নিয়ে প্রচারে নামতে। আবার নিজের দলের নেত্রী দলের জেলা সভাপতি তথা পশ্চিম কেন্দ্রের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন। ছিঃছিঃ বলা ছাড়া আর কি বলব।""
Post a Comment