মমতাবালা-শান্তনু দ্বৈরথের মধ্যেই শুক্রবার ঠাকুরনগরে শুরু হল মতুয়া মেলা
দি নিউজ লায়ন; মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি মমতাবালা ঠাকুর মেলা বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছিলেন। আবার শান্তনু ঠাকুর পালটা চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন, মেলা হবেই। মমতাবালা-শান্তনু দ্বৈরথের মধ্যেই শুক্রবার ঠাকুরনগরে শুরু হল মতুয়া মেলা। মতুয়া মেলা উপলক্ষে কয়েক হাজার ভক্ত এদিন ঠাকুরবাড়িতে এসে কামনাসাগরের পুণ্যস্নান করে পুজো দিলেন। হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথিতে প্রতিবছর ঠাকুরবাড়িতে দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা আসেন। পুণ্যস্নান করে তাঁরা পুজো দেন। ভক্তদের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঠাকুরবাড়িতে মেলা বসে। গতবছর করোনার জন্য মেলা বন্ধ ছিল। এ বছরও মেলা নিয়ে ঠাকুরবাড়ির দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়েছিল। গাইঘাটা, ঠাকুরনগর এলাকায় করোনা সংক্রমণ বাড়ছে জানিয়ে মমতাবালা ঠাকুর মেলা বন্ধের কথা ঘোষণা করেছিলেন। শান্তনু ঠাকুর মেলা হবে বলে পালটা জানিয়েছিলেন। প্রতি বছরের তুলনায় ভিড় কম থাকলেও বৃহস্পতিবার রাত থেকে মতুয়া ভক্তরা ঠাকুরবাড়িতে আসতে থাকেন।
মেলা প্রসঙ্গে মমতাবালা ঠাকুর বলেন, 'করোনা স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে আমি মেলার লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি। আমরা বলে ছিলাম পুণ্যস্থান হবে। শান্তনু ঠাকুর মেলার ডাক দিয়েছে। যদি করোনা সংক্রমণ বাড়ে তার সম্পূর্ণ দায়ভার শান্তনুর। ওনাদের মাস্ক স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। তবে ভক্ত সমাগম একেবারেই কম। ভক্তরা বেশি সংখ্যায় আসেননি।"
শান্তনু ঠাকুর বলেন, 'আমি তো বলেছিলাম, মেলা হবে। কারও সাধ্য নেই মেলা ঠেকাবে৷ কেউ ঠেকাতে পারেনি। অযৌক্তিক কথা বলে ভক্তদের বিভ্রান্ত করা যায় না।' স্বাস্থ্যবিধি প্রসঙ্গে শান্তনু বলেন, 'এ বছর কমপক্ষে সাত থেকে আট লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছে। এত লোকের সমাগমের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সম্ভব নয়।'

Post a Comment