মুখ্যমন্ত্রী করোনা শয্যা বৃদ্ধির ঘোষণার পরই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তৈরি হতে চলেছে ৯৬ শয্যার এইচডিইউ - The News Lion

মুখ্যমন্ত্রী করোনা শয্যা বৃদ্ধির ঘোষণার পরই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তৈরি হতে চলেছে ৯৬ শয্যার এইচডিইউ

 


দি নিউজ লায়ন;   মুখ্যমন্ত্রী করোনা শয্যা বৃদ্ধির ঘোষণার পরই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তৈরি হতে চলেছে ৯৬ শয্যার এইচডিইউ। শিলিগুড়ি শহর সহ পার্শ্ববর্তী সেফ হোমগুলির পুনরায় দ্রুত চালু করা হবে। ইতিমধ্যেই লিম্বুটারি ও হাতিঘিষার সেফ হোম দুটি পুনরায় খোলা হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ওয়েবের ক্ষেত্রে সংক্রমন গুরুতর হয়ে উঠছে সেবিষয়টিকে মাথায় রেখেই অক্সিজেন পাইপলাইন ও পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডারের মজুদ রাখতে সেফহোমগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নে নজর দিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। নির্বাচনের সময়তে একলাফে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে  করোনার সংক্রমন বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১লা এপ্রিল থেকে দার্জিলিং জেলা সংক্রমন যেহারে বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে জেলায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।


 সোমবার উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ও জেলা প্রশাসননিক আধিকারিকেরা জরুরী বৈঠক করেন। বৈঠকের পর উত্তরবঙ্গ করোনা ওএসডি ডাঃ সুশান্ত রায় জানান উত্তরবঙ্গের কর্নার পরিস্থিতি প্রথম ওয়েবের সময়ে স্থিতিশীল ছিল তবে নির্বাচনী মরশুমে তা ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে। নির্বাচনের সময়তে গত ১লা এপ্রিল থেকে ১৭ই এপ্রিল পর্যন্ত করোনা দার্জিলিং জেলায় ১১৭৪জন, মালদায়২৩০০,দক্ষিণ দিনাজপুর-৩২২,উত্তর দিনাজপুর ৬৯৮,  জলাপাইগুড়ি৭৩৩,কোচবিহার-২৪৫, আলিপুরদুয়ার ১৩০। সেক্ষেত্রে কোভিড স্তিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।


 দ্রুত গতিতে সংখ্যাটা বেড়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ১১০শয্যার কোভিড ব্লকের পাশাপাশি বিশিষ্ট গুরুতর সংক্রমিটের জন্য ৯৬শয্যা বিশিষ্ট এইচডিইউ তৈরি হচ্ছে। তবে এরজন্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। করোনা ওএসডি জানান উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সুপারকে দ্রুত স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগের বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অক্সিজেনের সাপ্লাই এর ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।সেফহোমেগুলি ও কোভিড ব্লকে ছোট পরিমাপের অক্সিকনসিকেটর ব্যবহার করা হবে যাতে সহজেই পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হয়। পাশাপাশি একজন নোডাল অফিসার এর ফোন নাম্বার দেয়া হবে রোগীর পরিবারকে যেকোন সমস্যার রোগী পরিবারকে। দিনে দুবার রুগীর রিপোর্ট পরিবারকে দেবেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। কোন দিকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ সহ সমস্ত সরকারি হাসপাতালে যেকোনো চিকিৎসার ক্ষেত্রেই আগে রুগীর করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.