শিক্ষানবিশ মহিলাদের হাতেই থাকছে জেলার মহিলা বুথ গুলির নিয়ন্ত্রন।,উদ্বিগ্ন আর চাপা আতঙ্ক গ্রাস করছে প্রিসাইডিং অফিসার মহিলাদের - The News Lion

শিক্ষানবিশ মহিলাদের হাতেই থাকছে জেলার মহিলা বুথ গুলির নিয়ন্ত্রন।,উদ্বিগ্ন আর চাপা আতঙ্ক গ্রাস করছে প্রিসাইডিং অফিসার মহিলাদের

 


দি নিউজ লায়ন;   শিক্ষানবিশ মহিলাদের হাতেই থাকছে জেলার মহিলা বুথ গুলির নিয়ন্ত্রন।উদ্বিগ্ন আর চাপা আতঙ্ক গ্রাস করছে প্রিসাইডিং অফিসার মহিলাদের। জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের তরফে মেলা তথ্যের ভিত্তিতে দার্জিলিং জেলায় মহিলা বুথের সংখ্যা রয়েছে পাহাড় ও সমতল মিলে ১৭৯টি। যার মধ্যে সমতলের তিন কেন্দ্রে মহিলা বুথের সংখ্যা ৯১টি। শিলিগুড়ি কেন্দ্রে মহিলা বুথের সংখ্যা ৫৫টি, মাটিগাড়া ও নকশালবাড়িতে ২৫টি বুথ সম্পূর্ণ ভাবে মহিলাদের নিয়ন্ত্রণে থাকছে।ফাঁসিদেওয়ায় থাকছে ১১টি বুথ মহিলা নিয়ন্ত্রিত। আর এই বুথ গুলিতে মহিলা প্রিসাইডিং অফিসার থেকে নির্বাচন পরিচালনার বুথের ভোট কর্মী সকলেই প্রথম ভোট কর্মী হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে কখনই ভোটের কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই তাদের। গোটা বুথের সমস্ত মহিলারাই নতুন ভোট কর্মী হলে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছে বিবেচক মহল। 


সম্প্রতি প্রিসাইডিং অফিসারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা মাপকাঠিটি তুলনায় ধরা হয়। তবে এ ক্ষেত্রে মহিলা নতুন ভোট কর্মীর পাশাপাশি প্রিসাইডিং অফিসার প্রত্যেকটি বুতে একেবারেই শিক্ষানবিশ নতুন ভোট কর্মী হওয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে ভেবেই চাপা আতঙ্ক গ্রাস করছে এই মহিলাদের। মাটিগাড়া নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ১১৫ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা রুনা বড়ুয়া জানান প্রথমবার ভোটের কাজ করছি তার একটা চিন্তা তো রয়েছেই। তার ওপর প্রথমবারেই প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ফলে আমি এবারই ভোটকর্মী। কিভাবে কাজ করতে হয় তার অভিজ্ঞতা আমার নেই তাই জন্য খুবই চাপের মধ্যে রয়েছি। এমনকি আমাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তা পুরোপুরি মহিলা নিয়ন্ত্রিত এবং সকল মহিলারাদেরই পূর্বে কাজ করার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। সে ক্ষেত্রে কোন বিষয় নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে তা মেটাতে সমস্যা হবে।


 একইসঙ্গে তিনি জানান শেষ মুহূর্তে শনিবার সকালে আমাদের পোস্ট পোলিং পার্সনাল এস জানিয়েছেন তিনি কাজ করবেন না সেই জায়গায় দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে আমার। বাগডোগরা কলেজ ভোটের দায়িত্বে যাওয়া দেবজানি ব্যানার্জি প্রিসাইডিং অফিসার জানান প্রথম ভোট কর্মী হিসেবে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব চাপের মুখে ফেলেছে। অত্যন্ত দুশ্চিন্তায় রয়েছি। যে কোন বিভ্রাট হলে কি করে সামলাবো বুঝে উঠতে পারছিনা। ভোট কর্মী হিসেবে প্রথমবার প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব আমি নিতে চাইনি জোড় করেই দেয়া হয়েছে। শনিবার দিনটা কিভাবে পার হবে তা ভেবেই ভয় লাগছে।  কোভিডের সুরক্ষা দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন আমাদের তো কাজ করে বাড়ি ফিরতে হবে সেখানে পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন তাদের সচেতনতাও একটা বড় বিষয়। শিলিগুড়ি ২৫৮নাম্বার বুথের নন্দিতা মূর্মু অবশ্য বলেন আমি শিলিগুড়ি সুতরাং শিলিগুড়িতে শান্তিপূর্ণ ভোট হয় তা নিয়ে খুব একটা আতঙ্কে নেই। তবে অনেক বড় দায়িত্ব প্রথম ভোট কর্মী হিসেবে আমার মনে হয় টিমে একজনকে অত্যন্ত পক্ষে অভিজ্ঞ কর্মী বা প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দেওয়া উচিত ছিল। কারণ ভোটগ্রহণের সময় সমস্যা তৈরি হলে তা জনগণের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তির কারণ হয়ে উঠবে। সকলেই নতুন থাকায় সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রেও সময় বিলম্ব হবে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.