অবশেষে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে সোমবার থেকে চালু হচ্ছে করোনা হাসপাতাল
দি নিউজ লায়নঃ অবশেষে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে সোমবার থেকে চালু হচ্ছে করোনা হাসপাতাল। এর জন্য ১০০ টি শয্যা তৈরি রাখা হয়েছে। কাজও চলছে জোরকদমে। রবিবার এই কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলা শাসক অন্তরা আচার্য। ছিলেন দক্ষিন ২৪ পরগনার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সোমনাথ মুখোপাধ্যায়, অতিরিক্ত জেলা শাসক শঙ্খ সাঁতরা,বারুইপুর মহকুমাশাসক সুমন পোদ্দার, মহকুমা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ইন্দ্রনীল মিত্র সহ বারুইপুর এস ডিপিও,হাসপাতালের আধিকারিকরা।
এদিন হাসপাতালের ঘর পরিদর্শন করার পাশাপাশি কি কি ব্যবস্থা থাকছে তাও খোঁজ করেন জেলাশাসক। সিটি স্ক্যান থেকে শুরু করে অ্যাম্বুলেন্স পরিসেবা ঠিক রাখার নির্দেশ দেন জেলাশাসক। মহকুমা হাসপাতালের মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডেই এই করোনার চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে,যে সব রোগীর অবস্থা অতি খারাপ। অক্সিজেন সাপোর্টের দরকার তখনই স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশমতই হাসপাতালে সেই রোগীকে ভর্তি নেওয়া হবে। আপাতত, ৩০ জন নার্স ও ১৯ জন চিকিৎসক এই পরিসেবার কাজে থাকবেন। এদিন জেলাশাসক বলেন,করোনার দ্বিতীয় ঢেউর দাপট বাড়ায় হাসপাতালে ১০০ শয্যা করোনার চিকিৎসা শুরু হবে। তেমন কিছু পরিবর্তন করা হচ্ছে না।
প্রথমে অক্সিজেনের সিলিন্ডারের ব্যবস্থা থাকবে, পরবর্তীকালে তা পাইপের মাধ্যমে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। ক্যানিং, যাদবপুরেরর কে পি সি হাসপাতালেও চালু হবে তাড়াতাড়ি। কিছুদিন পরে বারুইপুর হাসপাতালের আইসোলেসন ওয়ার্ডে এইচ ডি ইউ ইউনিট ২০ শয্যার চালু করা হবে করোনা আক্রান্তদের জন্য। এর জেরে কিছু পরিষেবা হাসপাতালে সাময়িক ব্যহত হবে স্বীকার করে জেলাশাসক বলেন,কিছু সমস্যা থাকলেও তা মিটিয়ে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, করোনার হাসপাতাল চালু হওয়ায় মেডিসিন, স্ত্রীরোগ বিভাগ, জেনারেল বিভাগ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে, সরিয়ে দেওয়া হয়েছে পুরুষ ও মহিলা রোগীদের।
জেলাশাসক এদিন বলেন,প্রত্যেক মহকুমায় কন্ট্রোল রুম চালু করা হবে ২৪ ঘন্টার জন্য, এতে পুরসভা,পুলিস,স্বাস্থ্য বিভাগ, মহকুমা প্রশাসনের লোকজন থাকবে মনিটরিং করার জন্য। কোন রোগীকে অ্যাম্বুলেন্স ও সেফ হোমের জন্য হয়রান না না হতে হয় তার জন্যই এই উদ্যোগ। কন্ট্রোল রুমের নাম্বার জানিয়ে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য ভবন ও বাঙ্গুরে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। করোনা আক্রান্তের দেহ পড়া থাকা নিয়ে যোগাযোগের একটা সমস্যা হয়েছিল, কিন্তু এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে তাও সমাধান হবে। জেলাশাসক বলেন,বারুইপুরে করোনা জন্য নতুন চুল্লির ব্যবস্থাও করা হবে আলোচনা চলছে। ৬৫০ বেড আছে সেফ হোমে। আরও বাড়ানো হবে। বেসরকারি হাসপাতাল্ কেও বলা হয়েছে বেড বাড়াতে। এছাড়া এজেন্সি,ডিলার,ওসুধের দোকানে নজরদারি চলবে অক্সিজেনের কালোবাজারি রুখতে।

Post a Comment