মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য উন্নয়নের জোয়ার এনে দিয়েছেন, তাতে আর নতুন করে কিছু বলার নেই, বাসন্তী বর্মন - The News Lion

মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য উন্নয়নের জোয়ার এনে দিয়েছেন, তাতে আর নতুন করে কিছু বলার নেই, বাসন্তী বর্মন

 


দি নিউজ লায়ন;   মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য উন্নয়নের জোয়ার এনে দিয়েছেন, তাতে আর নতুন করে কিছু বলার নেই । তাই এবার আপনারা আমাকে দেখবেন। এই আবেদন টুকু রাখছি। আমাকে দেখা মানে  মমতার হাত শক্ত করা।  সকাল থেকে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে মানুষের দুয়ারে গিয়ে এমনটাই বলছেন গাজোলের তৃণমূল প্রার্থী বাসন্তী বর্মন। তিনি বলেন,  গাজোল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিগত দিনে সংযুক্ত মোর্চার সিপিএম প্রার্থীর জয়ী হয়েছিলো‌। কিন্তু দলবদলের রাজনীতি মানুষ দেখতে পাচ্ছে।  নির্বাচনের সময় বলছে এক কথা, আর ভোট পেরোতেই নিজেদের সুবিধার জন্য দলবদল করছেন। সাধারণ মানুষের নীতি ও আদর্শকে কোনরকম ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।


 তাই এবারে আপনারা একটু আমাকে দেখুন। গাজলের মানুষের সব স্বপ্ন পূরণ হবে। উল্লেখ্য, গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রটি আদিবাসী অধ্যুষিত । কখনো গাড়িতে করে,  আবার কখনো পায়ে হেঁটে নির্বাচনী প্রচারে সামিল হচ্ছেন তৃণমূল প্রার্থী বাসন্তী বর্মন। মাঝেমধ্যে দলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর ওই প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার সারছেন গাজোলে। পেশায় শিক্ষিকা বাসন্তীদেবী সংসার সামলিয়ে নিজেকে তৃণমূলের একজন সৈনিক হিসেবে নিজেকে সমর্পণ করেছেন। সকাল সকাল বাড়িতে রান্নার কাজ সেড়ে এবং ঠাকুরঘরে পুজো করে বেরিয়ে পড়ছেন নির্বাচনী প্রচারে।  বাড়ি ফিরতে কিছুটা রাত হলেও স্বামী-সন্তানদের প্রতি নিয়মিত খেয়াল রাখছেন। ক্লান্তি বোধ বলে কিছু নেই। একদিনে কুড়ি থেকে ত্রিশ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিচ্ছেন। গাড়িতে করে নির্বাচনী প্রচারের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির কথা মানুষের কাছে তুলে ধরছেন তৃণমূল প্রার্থী বাসন্তী বর্মন।


শুক্রবার সকালে গাজোলের শহর এলাকায় কিছু মহিলা কর্মীদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করেন তৃণমূল প্রার্থী বাসন্তী বর্মন । রোদের তাপ এড়াতে মাথায় কখনো টুপি পড়ছেন অথবা আঁচল দিয়ে মাথা ডাকছেন । কখনো শুকনো মুড়ি চানাচুর দিয়ে চায়ের সাথে খাচ্ছেন। আবার কখনো কেক অথবা বিস্কুট। আর কদিন বাদে মালদা উত্তর কেন্দ্রের বিধানসভা নির্বাচন। যার কারণে এখন নাওয়া-খাওয়া ভুলে নির্বাচনী প্রচারে জোর দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী বাসন্তী বর্মন। সময় পেলেই বিভিন্ন এলাকার বুথ স্তরের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে চলছে বৈঠক। মানুষ কি বলছে, এবারে আর সংযুক্ত মোর্চা এবং বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে জনগণ যে নেই তা প্রচারে গিয়ে পরিষ্কার বুঝতে পারছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।


দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সম্পন্ন এবং মিষ্টি ভাষী বাসন্তী দেবী দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তৃণমূল গঠন হওয়ার পর থেকে গাজোলে বেশ কয়েকবার গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন। আর সেই রাজনীতি করা বাড়ির শিক্ষিকা গৃহবধূকে বেছে নিয়েছে দল । মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। আর প্রচারে সাধারণ আরো চারটা ঘরোয়া গৃহবধুর মতই মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন। অল্পবয়সীদের দেখলেই তাদের শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছে। 


গাজোলের তৃণমূল প্রার্থী বাসন্তী বর্মন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি আমাকে এই কেন্দ্রের প্রার্থী করেছেন  । আমি প্রার্থী হলেও মুখ একটাই তিনি হচ্ছেন মমতা ব্যানার্জি। উন্নয়নের কথা মানুষের কাছে তুলে ধরছি। আদিবাসী মানুষদের বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা বিষয়গুলো বেশি করে বলার চেষ্টা করছি। খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। এতদিন এই কেন্দ্রের মানুষ ভুল করেছে , তা এবার হবে না সেটাও বুঝতে পারছি। তাই বাড়ি বাড়ি মানুষের কাছে গিয়ে বলছি এবার আপনারা আমাকে দেখবেন। তৃণমূলের হাত শক্ত হলে গাজোলে উন্নয়নের জোয়ার বইবে। আর নির্বাচনে জয়ী হলে এবং রাজ্যের তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকলে গাজোলকে পুরসভা করাই হবে প্রধান লক্ষ্য।


কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.