বেলা বাড়তেই মুর্শিদাবাদে ভ্যানিশ বাম কংগ্রেস বিজেপি! - The News Lion

বেলা বাড়তেই মুর্শিদাবাদে ভ্যানিশ বাম কংগ্রেস বিজেপি!

 



দি নিউজ লায়ন;  কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনী গ্রামে ঢুকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে তান্ডব চালাচ্ছে কোথাও আবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পুলিশ তৃণমূল ক্যাম্পাস ভাঙছে তৃণমূল কর্মীদের মারধর করছে বৃহস্পতিবার দিনভর মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে বিচ্ছিন্নভাবে হলেও এমনি অশান্তির ছবি ধরা পরল। ভাজপা কংগ্রেস বা সিপিএমকে সেভাবে ময়দানে খুঁজে পাওয়া না গেলেও কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের একাংশকে তাদের হয়ে ভোট করাতে দেখা গেল মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া, কান্দি, বড়েঞা,ডোমকল এবং বহরমপুরে। বহরমপুর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কান্তনগর এলাকার ২৮,২৯নম্বর বুথ সংলগ্ন এলাকায় বোমাবাজির জেরে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাফিলতির অভিযোগ তুলে সরব হলেন খোদ বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের এবারের তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জি।  


তৃণমূল প্রার্থী ও তার সমর্থকদের দাবি,কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্যের পুলিশ হাত মিলিয়ে এলাকায় বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে দুষ্কৃতীদের বোমাবাজির ঘটনার পরেও নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকছে ভোটের দিনে। এদিকে এরই প্রতিবাদে নাড়ুগোপাল মুখার্জি দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে রাস্তার মাঝে বসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। নাড়ুগোপাল বাবু বলেন,"হঠাৎই কিছু পুলিশকর্মী কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে যোগসাজশ করে বিজেপির হয়ে এলাকায় ভোটের দিনে বিশৃঙ্খলা উত্তেজনা ছড়াচ্ছে"। একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া সেখানে তৃণমূল এবং কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয় তৃণমূলের অভিযোগ কংগ্রেস বুধবার রাত থেকে হরিহর পাড়ার বিভিন্ন এলাকায় বোমা বাজি করছে অথচ সকালে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বাড়ি থেকে বের করে আটক করে নিয়ে যায় বাড়িতে কার্যত ভাঙচুর চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। 


ডোমকলে তৃণমূল সমর্থক অধ্যুষিত বিভিন্ন গ্রামে পরিকল্পনা করে অশান্তি পাকায় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী সকাল 10 টা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত একাধিক গ্রামে ঢুকে বেধড়ক মারধর করা হয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের গোটা গ্রাম জুড়ে কার্যত আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে দেয়া হয় যাতে তারাও ভোট দিতে না চান তৃণমূলের অভিযোগ কংগ্রেস সিপিএম এবং বিজেপি মিলিতভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে ডোমকলে ভোট লুট করার চেষ্টা করেছে। কান্তিতে এক তৃণমূল এজেন্ট রিলিভার হিসেবে বুথে ঢুকতে গেলে তাকে বাধা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিচয় পত্র দেখিয়ে কোন লাভ হয়নি বাইক থেকে নামিয়ে তাকে লাঠিপেটা করা হয় বাইক ফেলে দেওয়া হয় রাস্তার ধারে পরে প্রার্থী নিজে এসে ওই এজেন্টকে বুধ বসানো গোটা ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় বড়েঞা বিধানসভার 159 160 এবং 161 নম্বর বুথ সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ।


 গ্রামবাসীদের অভিযোগ ভোট গ্রহণ কেন্দ্র থেকে অন্তত হাফ কিলোমিটার দূরে তারা ভোট দানের পর বসেছিলেন। আচমকা থানার আইসির নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী গ্রামে ঢুকে বেধড়ক মারধর করে। পুলিশের লাঠিচার্জে তিনজন গুরুতর জখম হয় তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.