মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠক
দি নিউজ লায়ন; রাজ্যে লকডাউন নয়। অক্সিজেন সরবারহে ঘাটতি করোনার টিকার দামের বৈষম্যে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী।
১। রাজ্যে লকডাউন করার এখনো কোন ভাবনা নেই। লকডাউনে প্রচুর অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে তাই এখনই এই ধরনের কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই। আগেও করোনা ঝড় সামলেছি। এবারও করোনা ঝড় সামলাবো। আতঙ্কিত হবেন না। মানবিকতার হাত বাড়ান। সবাইকে একসঙ্গে সতর্ক থাকতে হবে।
২। করোনা আক্রান্তদের জন্য তিনটি গ্রেড করা হয়েছে।সঙ্কটজনক বা আশঙ্কাজনক হলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বা মৃদু উপসর্গ রয়েছে তাদের সেফ হোমে রাখতে হবে। আর যারা কম অসুস্থ বা উপসর্গ নেই তারা হোম আইসোলেশন এ থাকুন।
৩। হাসপাতাল গুলিকে সতর্ক থাকতে হবে কোন রোগীকে ফেরানো যাবে না। মানবিক হতে হবে। বেড বাড়ানোর ব্যাপারে রাজ্য সরকার চিন্তাভাবনা করছে। প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি সামলাতে আপাতত 11000 বেড রয়েছে। আগামী দু-একদিনের মধ্যে আরও দু' হাজার বেড যুক্ত করা হবে। এছাড়া সেফহোম গুলোকেও হাসপাতালে সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।
৪। ভ্যাকসিনের দাম আচমকা বাড়িয়ে দেওয়া হলো। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেব। কেন্দ্র কিনবে দেড়শ টাকায় রাজ্য কিনবে 400 টাকায়? এই বৈষম্য কেন থাকবে অক্সিজেনের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী কি ব্যবস্থা নিচ্ছেন জানতে চাইবো। এখন ব্যবসা করার সময় নাকি মানবিকতা দেখানোর সময়?
৫। অক্সিজেন নিয়ে কালোবাজারি করা যাবেনা মজুতদারী করলে কড়া ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাজ্য সরকার নজরদারি চালাচ্ছে। আগামী দিনে নজরদারি কড়া করা হবে। অবৈধ মজুতদারী দেখলেই ব্যবস্থা। কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো যাবে না এ ব্যাপারে রাজ্য কঠিন পদক্ষেপ নেবে।
৬। করোনার টিকা করনের জন্য 100 কোটি টাকার তহবিল করেছে রাজ্য। 93 লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এর থেকে আরও এক কোটি ভ্যাকসিন যাওয়া হয়েছে প্রয়োজনে রাজ্য বাইরে থেকেও ভ্যাকসিন কিনবে।
৭। রাজ্যের যা করোনা পরিস্থিতি তাতে এখনই ঘর বন্দী থাকার প্রয়োজন নেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাস্ক-স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে রাজ্য সরকার সমস্ত রকম ভাবে পাশে আছে। ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। ৮০ টি হাসপাতালে সাত হাজারের বেশি অক্সিজেন বেড রয়েছে। 70 টি কোভিড হাসপাতাল রয়েছে।
৮। আমি নির্বাচন কমিশনকে বলেছিলাম শেষ তিন দফার ভোট একসঙ্গে করতে কিন্তু আমার কথা শোনা হলো না বিজেপি প্রতিদিন বড় বড় মিটিং মিছিল করছে বাইরে থেকে নেতা-মন্ত্রীরা আসছেন ভিন রাজ্য থেকে প্রচুর লোক আসছে বাংলায় বসে থাকছে করোনা সংক্রমনের ফলে বাড়ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা সবাই বাইরের রাজ্য থেকে আসছেন। করোনা বিধি মানার জন্য ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছি।

Post a Comment