উন্নয়নের পক্ষে ভোট, মাঝপথেই হার মেনে নিল বিরোধীরা
দি নিউজ লায়নঃ প্রধানমন্ত্রী থেকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, দিলীপ থেকে শুভেন্দু, গৌতম গম্ভীর থেকে মিঠুনকে নিবাচনী ময়দানে নামিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারলনা বিজেপি। আর এবারের ভোটেও নিজেদের হার বুঝতে পেরে দুপুরের পরেই আস্তে আস্তে ফাঁকা হতে শুরু হল বিজেপির নির্বাচনী ক্যাম্প। অবশ্য শুধু বিজেপি নয় উলুবেড়িয়া দক্ষিণ থেকে বাগনান, শ্যামপুর থেকে আমতা, উদয়নারায়নপুর থেকে জগৎবল্লভপুরের সব জায়গাতেই এদিন দুপুরের পর থেকেই বিরোধীদের অধিকাংশ ক্যাম্প ফাঁকা হয়ে গেল।
মঙ্গলবার তৃতীয় দফার নির্বাচনে রাজ্যের একাধিক জেলার পাশাপাশি হাওড়া গ্রামীণ জেলার ৭ টি বিধানসভা আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। এদিন দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটের উপর শান্তিতেই মিটল ভোটগ্রহণ পব। এদিন সকালে নিজের কেন্দ্রে ভোট দেন উলুবেড়িয়া দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পুলক রায়, উলুবেড়িয়া উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ডাঃ নির্মল মাজি,শ্যামপুর কেন্দ্রের প্রাথী কালিপদ মন্ডল, বাগনান কেন্দ্রের প্রাথী অরুনাভ সেন, আমতা কেন্দ্রের প্রাথী সুকান্ত পাল, উদয়নারায়নপুর কেন্দ্রের প্রাথী সমীর পাঁজা। অন্যদিকে বিধানসভা নির্বাচন কেন্দ্রগুলিতে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় শুনশান ছিল সমস্ত এলাকা। এদিন প্রয়োজন ছাড়া সেভাবে কাউকে রাস্তায় দেখতে পাওয়া যায়নি। যদিও এদিন অশান্তি এড়াতে রাস্তায় পুলিশের টহল ছিল চোখে পড়ার মতন।
অপরদিকে এদিন উলুবেড়িয়া থেকে উদয়নারায়ণপুরের,শ্যামপুর থেকে জগৎবল্লভপুর সবত্রই মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। প্রতিটি বিধানসভার ভোটারদের বক্তব্য যেভাবে রাজ্যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে বিকল্প কাউকে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে চিন্তা করার অবকাশ নেই। তাদের মতে বিরোধীরা কুৎসা রটালেও সাধারণ মানুষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন। তাদের মতে এবারের নির্বাচনে গতবারের ফলের কোন পরিবর্তন হবেনা। উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, উলুবেড়িয়া উত্তর,শ্যামপুর, বাগনান, আমতা, উদয়নারায়নপুর, জগৎবল্লভপুর সব বিধানসভা কেন্দ্রেই তৃণমূল প্রাথীদের জয় নিশ্চিত।

Post a Comment