বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে ৫০ লক্ষ মানুষকে ডিটেনশন ক্যাম্পে আশ্রয় নিতে হবে, নারায়ণ গোস্বামী - The News Lion

বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে ৫০ লক্ষ মানুষকে ডিটেনশন ক্যাম্পে আশ্রয় নিতে হবে, নারায়ণ গোস্বামী

 


দি নিউজ লায়ন;  উত্তর ২৪ পরগণা জেলার অশোকনগর বিধানসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নারায়ন গোস্বামী। একদিকে বিজেপি আর অন্যদিকে বাম-কংগ্রেস-আব্বাস জোটের প্রার্থী। এই দুই প্রতিদ্বন্ধীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এবারে লড়াইয়ের ময়দানে তিনি। সকাল থেকে সন্ধ্যে অশোকনগরের মহল্লায় মহল্লায় ভোট প্রচারে সময় কাটছে তার। অশোকনগরের শহর থেকে গ্রামীণ অঞ্চল  ঘুরে রাজ্য সরকারের উন্নয়নকে সঙ্গী করেই প্রচারের ময়দানে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। আর সেই প্রচারের ফাঁকে সামান্য ফুসরতে জানালেন,  ভোটে জেতার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশের উপর নিশ্চিত তিনি। সাফ জানালেন, উত্তর ২৪ পরগণা জেলার এই অশোকনগর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের আগেই ভোট হয়ে গিয়েছে। এখন শুধুই ফলের অপেক্ষা। গত লোকসভা নির্বাচনেও এই কেন্দ্রে তৃণমূল এগিয়ে ছিলো।আর এবারে বিধানসভা ভোটে যেহেতু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতায় ফিরে আসার ভোট।


 তাই এবারে এলাকার অনেক বিজেপি কর্মীরাও দেখবেন তৃণমূলে ভোট দিচ্ছেন।  তৃণমূল এই কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয় পাচ্ছে এটা ধরে নিতেই পারেন বলে দাবি করেন তিনি।  নারায়ন গোস্বামী বলেন,  বিজেপির নাগরিকত্ব আইন (এনআরসি) একটি ভয়ঙ্কর বিপদ।  তিনি জানান, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে এনআরসি করবেই। আর বাংলায় এনআরসি করলে ৫০ লক্ষ মানুষকে ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে হবে। কারণ, এনআরসির নামে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি ফর্মে সেলফ ডিক্লেয়ারেশন দিতে হবে প্রত্যেককে। আর সেখানে লিখতে হবে আপনার মা, বাবা, ঠাকুরদা, ঠাকুরমার জন্ম কবে কোথায়। আমাদের রাজ্যে পূর্ববঙ্গ থেকে যারা এসেছেন তারা যখনই বিষয়গুলি ওই ফর্মে লিখবেন তখনই ধরা পড়ে যাবেন। আর তারপরেই পরিবার পরিজন ছেড়ে ঠাই নিতে হবে ডিটেনশন ক্যাম্পে। আসলে এনআরসির প্রকৃত তথ্য এখনও সামনে আনেনি কেন্দ্রীয় সরকার।


 আর এখানেই ধোঁয়াশা রেখে রাজনীতিটা করছেন মোদী ও অমিত শাহেরা। যদিও আমাদের রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই।  নারায়ন গোস্বামী এদিন দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে যদি এককভাবে জিজ্ঞেস করা হয় আপনি কার থেকে রাজনৈতিক  শিক্ষা নিতে চান। তাহলে আমার বিশ্বাস তিনি বলবেন, একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেই তিনি রাজনৈতিক শিক্ষা নিতে চাইবেন। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো লড়াকু নেত্রী গোটা দেশে আর দ্বিতীয়টি পাবেন না। নারায়ন গোস্বামী বলেন, আজ বাংলার মাটিতে ‘খেলা হবে’ স্লোগানের দাপটে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান চূড়ান্তভাবে  ফ্লপ হয়ে গিয়েছে। মানুষের মুখে মুখে আজ আমাদের দলের মুখপাত্র দেবাংশুর লেখা ‘খেলা হবে’ স্লোগান ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। এমনকী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও এখন ‘খেলা হবে’ স্লোগান বলতে হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.