আলিপুরদুয়ারের দুটো গ্রাম পঞ্চায়েত জাতীয় পঞ্চায়েত পুরষ্কার পেল - The News Lion

আলিপুরদুয়ারের দুটো গ্রাম পঞ্চায়েত জাতীয় পঞ্চায়েত পুরষ্কার পেল

 


দি নিউজ লায়ন; আলিপুরদুয়ারের দুটো গ্রাম পঞ্চায়েত জাতীয় পঞ্চায়েত পুরষ্কার পেল। আলিপুরদুয়ার ১ নম্বর ব্লকের পূর্ব কাঠালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত ও মাদারিহাট ব্লকের বীরপাড়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এবার জাতীয় পঞ্চায়েত পুরস্কার হাসিল করেছে। জানা গিয়েছে কর সংগ্রহের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনের জন্য আলিপুরদুয়ার ১ নম্বর ব্লকের পূর্ব কাঠালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত জাতীয় পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে উন্নয়নের নতুন ভাবনার নিরিখে জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছে মাদারিহাট ব্লকের বীরপাড়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত। ইতিমধ্যেই এই দুই গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে জাতীয় পুরষ্কার পাওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মীনা। 


গোটা রাজ্যে দশটি গ্রাম পঞ্চায়েত এবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। এর  মধ্যে দুইটি গ্রাম পঞ্চায়েত আলিপুরদুয়ার জেলায় অবস্থিত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনের  মধ্যে এই পুরষ্কার পাওয়ার জন্য তুমুল উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মীনা বলেন, " এটা খুবই আনন্দের খবর  যে আমাদের জেলার ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এবার জাতীয় স্তরের পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছে। এই দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সবক্ষেত্রেই খুব ভালো কাজ করেছে।  এই সফলতা কারো একার সফলতা নয়। গোটা প্রশাসনিক দল যেভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছে তার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। আমাদের আরও ভালো কাজ করতে হবে। এলাকার উন্নয়নের ক্ষেত্রে গ্রাম পঞ্চায়েত গুলো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।" উল্লেখ্য আলিপুরদুয়ার জেলায় মোট ৬৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে।


 প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে  সরকারের নানা প্রকল্প রূপায়ণে জেলা প্রশাসনের ভুমিকা বিভিন্ন সময় প্রশংসিত হয়েছে। এবার এই ৬৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে দুটো গ্রাম পঞ্চায়েত জাতীয় পুরস্কার পাওয়ায় ফের আরও একবার বিভিন্ন মহলে জেলা  প্রশাসনের প্রশংসা শোনা যাচ্ছে। পূর্ব কাঠালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সরোদিনি  বর্মন বলেন, " কর সংগ্রহের ক্ষেত্রে আমরা জাতীয় পুরস্কার পেয়েছি। জাতীয় পুরস্কার পাওয়ায় আমাদের যে কি আনন্দ হচ্ছে  তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। তবে এটুকু বলতে পারি কর সংগ্রহের ক্ষেত্রে আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েতে আমরা বিশেষ জোর দিয়েছিলাম। বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা কর সংগ্রহ করেছে। এর ফলে গ্রাম পঞ্চায়েতের আয় বেড়েছে। ভবিষ্যতে আমাদের আরো ভাল কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। জেলা প্রশাসন আমাদের সব সময় সব রকম ভাবে সহযোগিতা করেছে।"

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.