ডাম্পারের ধাক্কায় স্কুল ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ - The News Lion

ডাম্পারের ধাক্কায় স্কুল ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

 


দি নিউজ লায়ন;  তপসিখাতায় ডাম্পারের ধাক্কায় স্কুল ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাল তপসিখাতা হাই স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। সোমবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এদিন প্ল্যাকার্ড হাতে ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভে সামিল হন ছাত্রছাত্রীরা। বিক্ষোভ অবরোধ থেকে বেআইনি ডাম্পার চলাচল বন্ধ ও ট্রাফিক প্রশাসন মোতায়েন সহ একাধিক দাবি তুলেছেন ছাত্রছাত্রীরা। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে এলাকার সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকরা অবরোধ-বিক্ষোভ আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন। এই আন্দোলনের জেরে আলিপুরদুয়ার ফালাকাটা সড়ক এদিন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে যায়।


 খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন আলিপুরদুয়ার১ নম্বর ব্লকের বিডিও শ্রেয়শী ঘোষ, আলিপুরদুয়ার পুলিশের এসডিপিও দেবাশীষ চক্রবর্তী, আলিপুরদুয়ার থানার আইসি সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্তারা। প্রায় দেড় ঘন্টা পরে ছাত্র-ছাত্রীদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেন আলিপুরদুয়ার ১ নম্বর ব্লকের বিডিও শ্রেয়শী ঘোষ। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এদিন বিডিও শ্রেয়সী বলেন,  "আমি ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। রবিবার অত্যন্ত দুঃখজনক একটা ঘটনা ঘটে গেছে। ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় মানুষদের দাবি পূরণের জন্য চেষ্টা চালাব।" এদিন বিডিওর আশ্বাসে রাস্তা অবরোধ তুলে নেন ছাত্রছাত্রীরা। উল্লেখ্য তপসিখাতায় আলিপুরদুয়ার ফালাকাটা সড়কে ডাম্পারের ধাক্কায় রবিবার সকালে  এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ।


 জখম হন আরও এক স্কুল ছাত্রী। এদিন  সকালে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে আলিপুরদুয়ার ১ নম্বর ব্লকের তপসিখাতা বাজার  এলাকায়। ঘাতক ডাম্পারের কবলে পড়া দুই স্কুল ছাত্রই তপসিখাতা হাইস্কুলের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী। বাড়ি  ঘটনাস্থলের কাছেই। এদিন সকালে দুই সাইকেলে দুই বান্ধবী  টিউশন পড়তে যাচ্ছিল। পেছন থেকে ডাম্পারটি দুজনকে ধাক্কা মেরে রাস্তার পাশে দোকানে ঢুকে পড়ে। ঘটনাস্থলে এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়। মৃত ছাত্রীর নাম শুভ্রা বর্মন। মৃত ও জখম দুজনকেই আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। জখম স্কুল ছাত্রী পারুল রায় আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। মৃত স্কুল ছাত্রীর প্রাইভেট টিউটর দেবরাজ চক্রবর্তী বলেন, " নাবালক ছেলেরা কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই মদ্যপ অবস্থায় ডাম্পার চালাচ্ছে। পুলিশ কোন ব্যাবস্থাই নিচ্ছে না। এই ভাবে চলতে পারে না। প্রশাসনকে অবশ্যই ব্যাবস্থা নিতে হবে।"

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.