শীতলকুচিতে কী কারণে গুলি চালাতে বাধ্য হল সিআইএসএফ?
দি নিউজ লায়ন; শীতলকুচিতে কী কারণে গুলি চালাতে বাধ্য হল সিআইএসএফ? কোচবিহারের পুলিস সুপার দেবাশিস ধরের কথায়,'বাহিনীর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল দুষ্কৃতীরা। তখন গুলি চালাতে বাধ্য হন জওয়ানরা।' গোটা ঘটনাক্রম বিবৃতি দিয়ে জানাল সিআরপিএফ। সিআরপিএফ বিবৃতি অনুযায়ী,'আজ সকালে ৯টা ৩৫ মিনিট নাগাদ ১২৬ নম্বর সিআইএসএফের কিউআরটি-র উপরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা।
কয় কমান্ডার সুনীল কুমারের নেতৃত্বাধীন দলকে আক্রমণ করে ৫০-৬০ জন। ভোটারদের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে পৌঁছতে বাধা দিচ্ছিল তারা। কিউআরটি-র গাড়িতে ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতীরা। জওয়ানদের উপরেও চলে হামলা। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে আত্মরক্ষায় ৬ রাউন্ড গুলি চালায় কিউআরটি। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন সিআইএসএফের ডিসি অ্যাডহক কমান্ডান্ট দীপক কুমার।'
তখনকার মতো ঘটনা মিটে গেলেও পরে দেড়শো জনের আর একটি হামলা করে ১৮৬ নম্বর বুথে। সিআরপিএফ-র (CRPF) দাবি,'বুথের দায়িত্বে থাকা হোমগার্ড ও আশা কর্মীকে মারধর করে উন্মত্ত জনতা। বুথে ঢুকে ভোটকর্মীদের মারধর করা হয়। সিআইএসএফ জওয়ানদের হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে। শূন্যে দু'রাউন্ড গুলি ছোড়েন জওয়ানরা। কাজ হয়নি। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিআইএসএফের কিউআরটি। প্রাণ বাঁচাতে ৭ রাউন্ড গুলি ছোড়েন জওয়ানরা। ছত্রভঙ্গ নয় জনতা। ৫-৬ জন দুষ্কৃতীর চোট লাগে। পরে মৃত্যু হয়।' উন্মত্ত জনতাকে ঠেকানো যায়নি বলেই গুলি চালাতে বাধ্য হন জওয়ানরা।'

Post a Comment