হাওড়ায় এখনও পর্যন্ত শান্তিতেই ভোটগ্রহণ - The News Lion

হাওড়ায় এখনও পর্যন্ত শান্তিতেই ভোটগ্রহণ

 


দি নিউজ লায়ন,    হাওড়ায় এখনও পর্যন্ত শান্তিতেই ভোটগ্রহণ চলছে। কয়েকটি এলাকা থেকে কিছু বিক্ষিপ্ত গন্ডগোলের খবর পাওয়া গেছে। তবে, এদিন সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি সক্রিয়তা ও বিজেপির হয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল প্রার্থী অরূপ রায়। এদিন সকাল ৭টা থেকে হাওড়াতেও ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এদিন হাওড়ার ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রেই বুথের সামনে সকাল থেকে ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা যায়।


 করোনা সতর্কতা হিসেবে ভোটারদের থার্মাল স্ক্যানিং করা হয়। হ্যান্ড গ্লাভস ভোটারদের দেওয়া হয়। কয়েকটি বুথে ভোট শুরুর পর থেকেই ইভিএম খারাপের খবর আসে। ভোট শুরুর পর উত্তর হাওড়ায় বোমাবাজির খবর আসে। উত্তেজনা থাকায় সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের বিশাল ফোর্স মোতায়েন করা হয়। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তর হাওড়ার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডবসন রোডেও বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে।বালি বিধানসভা কেন্দ্রের লালবাবা কলেজের বুথে সকালে বিজেপি তৃণমূল হাতাহাতির ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।


 এদিন সকালে মধ্য হাওড়ার একটি বুথে ভোট দেন তৃণমূল প্রার্থী অরূপ রায়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটদান করেন তিনি। কোভিড বিধি মেনে তাঁর হাতে হ্যান্ড গ্লাভস, স্যানিটাইজার দেওয়া হয়। থার্মাল স্ক্রিনিং করা হয়। অরূপ রায় বলেন, "এখনও পর্যন্ত হাওড়ায় শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হচ্ছে। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী অতি সক্রিয়তা দেখাচ্ছে এবং বিজেপির হয়ে কাজ করছে। আমি একজন প্রার্থী। আমাকেও একাধিক বুথে আটকানো হয়েছে। আমি নিজে প্রার্থী হিসেবে পরিচয়পত্র দেখানোর পরেও বাধা দেওয়া হয়েছে। অথচ বিজেপির ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। হাওড়ার শ্রীজৈন বিদ্যালয়, ষষ্ঠীতলা মাতৃমন্ডপ প্রভৃতি বুথে আমাকে আটকানো হয়। 


আমার পরিচয়পত্র দেখানো সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় বাহিনী বাধা দেয়। তবে ষষ্ঠীতলা মাতৃমণ্ডপের সামনে আমাকে আটকানোর সময় সাধারণ ভোটাররা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপরে রিটার্নিং অফিসারকে বলে সেক্টর অফিসারের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিষ্কার বিজেপির হয়ে কাজ করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উৎপাত ছাড়া আর কোনও সমস্যা নেই। তবে কিছু পুলিশ অফিসারের ভূমিকা এদিন বাজে ছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপিকে জেতার জন্যই এসেছে বলে আমরা মনে করছি।" অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী ডাঃ রথীন চক্রবর্তী বলেন, শিবপুর কেন্দ্রে ভোট এখনও পর্যন্ত শান্তিতেই চলছে। কিছু ফলস ভোটিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। বিজেপি প্রার্থী উমেশ রাইকে গোলমোহরের একটি বুথে তৃণমূল বাধা দেয় বলেও এদিন অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৫৩.২২%। 




কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.