বাঘমুন্ডিতে প্রার্থী পদ আজসু পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ায় ভাজপার অন্দরে ক্ষোভ
দি নিউজ লায়নঃ এখনো পুরুলিয়ার বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করনি ভাজপা। পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে প্রার্থী পদ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আজসু পার্টিকে। আর সেই নিয়ে ভাজপার অন্দরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। সাংসদের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন কর্মী-সমর্থকরা। শনিবার থেকে বাঘমুন্ডি বিধানসভার ঝালদা এক নম্বরে ভাজপার পতাকা নিয়ে কুশপুতুলিকা দাহ করে বিক্ষোভে শামিল হন নেতা কর্মীরা। এদিনও বিভিন্ন সোশ্যাল সাইটে পোষ্ট দেখা যায়। সেখানে দেখা হচ্ছে “জয় শ্রীরাম–পঁচাকলা/ ভোট দিতে হল জ্বালা।” সেইসঙ্গে “বিজেপির পঁচাকলা/ ভোট দিতে গায়ে জ্বালা।”
তাছাড়াও হোয়াটসগ্রুপে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে গেরুয়া নেতা–কর্মীদের তীর্যক মন্তব্য “হরে কৃষ্ণ হরে হরে/ পঁচা কলা ঘরে ঘরে।”
নিজেদেরকেই সমালোচনায় বিদ্ধ করে তাদের মন্তব্য শোনা গিয়েছে “হনুমানদের জন্য কলায় যথেষ্ট/ আয় বিজেপির হনুগুলো কলা খাবি।”
সেই সঙ্গে দলের নেতাদের প্রতি ওই বিধানসভার কর্মীদের তীব্র আক্রমন, করে লিখেন “কোন হনু নেতা এই সিলেকশন করেছে জুতার মালা দেওয়ার ব্যবস্হা করা হোক।” কারও হুমকি আইটি সেলের কাজ ছেড়ে দেবেন। আবার কেউ বলছেন, “খেলা হল। ভাজপা খেলতেই চান্স পেল না।” পাশাপাশি প্রচারে আসার সময় বড় নেতাগুলোর গলায় জুতোর মালা দেওয়া হবে এই আহ্বানও রাখা হয়েছে। সবে মিলিয়ে ক্ষোভে জ্বলছে বাঘমুন্ডির বিধানসভা এলাকার গেরুয়া শিবিরে। আসলে এই বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা তথা পুরুলিয়ার সাংসদ, দলের রাজ্য সাধারন সম্পাদক জ্যোতির্ময় মাহাতো।তারপরেও এই বিধানসভা দলের প্রতীক না পাওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে। যদিও ভাজপার জেলা সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী বলেন, “বাঘমুন্ডি নিয়ে সমস্যার কথা আমার জানা নেই। দলীয় স্তরে আমি খোঁজ নিচ্ছি।” এই ঘটনাকে কড়া ভাষায় আক্রমন করে পুরুলিয়া জেলা সভাধতি গুরুপদ টুডু বলেন, বাঘমুন্ডি আমরা জিতবো। এবার আমাদের নয় শুন্য হবে। তাই ভয় পেয়ে ভাজপা তাদের প্রার্থী না দিয়ে ওই বিধানসভায় আঞ্চলিক দলকে প্রার্থী পদ ছেড়ে দিয়েছে।

Post a Comment