রাজকে নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে দেখা দিল ক্ষোভ
দি নিউজ লায়ন; ব্যারাকপুর বিধানসভায় রাজ চক্রবর্তীকে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করতেই ক্ষোভের সুর পৌরসভার পৌর প্রশাসক উত্তম দাসের মুখে। উত্তম দাস এবং লালন পাসোয়ান জানিয়েছিলেন, স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী দেওয়া উচিত ছিল। প্রার্থী হিসেবে নাম উঠে এসেছিল বারাকপুর পুরসভার পুর প্রশাসক উত্তম দাসের। কিন্তু দল বারাকপুরে সেলিব্রেটি রাজ চক্রবর্তীকে প্রার্থী ঘোষণা করে দেয়।
শীলভদ্র দত্তের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে বারাকপুর পুরসভা এলাকায় তৃণমূল নেতৃত্ব দিচ্ছেন উত্তম দাস। বারাকপুরের স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা ভেবেছিলেন উত্তম দাসকে দল প্রার্থী করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। এদিকে রাজ চক্রবর্তী প্রার্থী হওয়ার পর উত্তম দাস তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছিলেন, আমি"তৃণমূল করি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে। তৃণমূলে ছিলাম তৃণমূলে আছি।
রাজ চক্রবর্তী আমাদের এখানকার প্রার্থী হয়েছেন, আমি রাজ চক্রবর্তীকে চিনি না, উনি সিনেমা জগতের লোক, আমি সিনেমা-টিনেমা দেখিনা। ক্ষোভের সুর তৃণমূল নেতার গলায় তিনি আরও বলেন, এখানে সমস্যা হচ্ছে একটাই আমাদের বিগত ১০ বছরে আমাদের যে সাংসদ ছিলেন বিধায়ক ছিলেন, তারা বাইরের লোক ছিলেন তারা দলের সাথে বেইমানি করে দল ছেড়ে চলে গেছেন। আমাদের কাছে ওইটাই বড় সমস্যা চুন খেয়ে মুখ পোড়ে দই দেখে ভয় করছে। পাশে এমন ঘটনা না হয়।
উত্তম দাসের প্রার্থী নিয়ে অপছন্দের বিষয়টি তৃণমূলের অন্দরে চাপা থাকেনি। বিবার বারাকপুর নোনা চন্দন পুকুর ক্লাবে রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে উত্তম দাস, লালন পাসোয়ানকে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক । সেখানে সেলিব্রেটি বহিরাগত প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও সেই মনোমালিন্য মিটিয়ে দেন ফিরহাদ ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
Post a Comment