কেন্দ্রীয় বাহিনী টাকা বিলোচ্ছে ধরে দিতে পারলে পুরস্কার ও চাকরী ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, নালিশ নির্বাচন কমিশনেও - The News Lion

কেন্দ্রীয় বাহিনী টাকা বিলোচ্ছে ধরে দিতে পারলে পুরস্কার ও চাকরী ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, নালিশ নির্বাচন কমিশনেও

 


দি নিউজ লায়নঃ    কেন্দ্রীয় বাহিনী এখানে ভারত সরকারের তকমা লাগিয়ে টাকা বিলোচ্ছে। রাতে ও দিনে এই টাকা বিলানো হচ্ছে। টাকা বিলানো কেউ ধরে দিতে পারলে পুরস্কার ও সঙ্গে একটি চাকরী দেওয়া হবে। বুধবার বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর, ওন্দা ও বাঁকুড়ায় তিনটি পৃথক সভা করে এই ঘোষণা করলেন তৃনমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে রাধে সে চুলও বাঁধে। এ রাজ্যে বহিরাগত গুন্ডারা এলে মা বোনেরা একটু হাতা খুন্তি নাড়াবেন । ভোটের আগে ট্রেন ও বাসে করে বহিরাগতদের নিয়ে আসছে বিজেপি। ওরা বহিরাগত গুন্ডাদের বলছে গ্রামের রাস্তা দখল কর। যদি গ্রামের রাস্তা দখল করতে আসে তাহলে হাতা খুন্তি ঝাড়ু নিয়ে আপনারা তাদের তাড়া করবেন। আমি ভূল করলে আমাকে যেমন দুটো থাপ্পড় মারতে পারেন তেমনই ওদের আরো জোরে জোরে থাপ্পড় মারবেন। উত্তর প্রদেশ থেকে বিজেপি পুলিশ পাঠিয়ে দিচ্ছে। 


 নির্বাচন চললে রাজ্য পুলিশ নাকি তাদের অধীনে। নির্বাচন চললে কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন কেন্দ্রের সরকারের অধীনে থাকবে?  কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে না?  কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভারত সরকার লিখিয়ে টাকা বিলানো হচ্ছে। কেন নাকা চেকিং হচ্ছে না?   কেউ যদি এটা ধরিয়ে দিতে পারে তাহলে একটা পুরস্কার ও একটা চাকরী দেওয়া হবে। খরচ করার জন্য টাকা দিতে এলে ওদের বলবেন খরচটা দে,  কিন্তু এবার তোদের খরচ করে দেব। এই টাকা ওদের টাকা নয় এই টাকা রেল, ভেল, বি এস এন এল, বীমা  বিক্রির টাকা। কোনো কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মী ওদের ভোট দেবেন না। রাজ্য সরকারি কর্মীরাতো নয়ই। এদিনের জনসভা থেকে অমিত শাহকে উদ্যেশ্য করে বলেন, গতকাল হোঁদল কুতকুত মহাশয় মিথ্যে কথা বলেছেন। বলেছেন সপ্তম পে কমিশন করে দেব। ত্রিপুরায় গ্রুপ ডি ও বেসরকারি করণ করে দিয়েছে। সরকারি কর্মীদের সমস্ত পি এফ তুলে নিয়েছে, গ্র‍্যাচুয়িটি দেয় না।


 কিচ্ছু দেয় না।  নির্বাচনের আগে বলেছিল ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করবে। ঘাড় ধাক্কা দিয়ে সবাইকে বের করে দিয়েছে। বিজেপি মিথ্যাচার,  দাঙ্গা, বিভেদকামীর দল। আগে হিন্দু মুসলমান করত। আর এখন ওরা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে লড়াই লাগিয়ে দিচ্ছে। আমাদের রত্না চ্যাটার্জীর স্বামীকে কেড়ে নিয়েছে। পরিবারের মধ্যেই বিভেদ লাগাতে চায় বিজেপি । তাই তৃনমূলকে ভোটটা দিয়ে ভোটের দিন বিজেপির খেলার মাঠটাকে খালি করে দিতে হবে। খেলা হবে। খেলায় এমন করে বলটা মারতে হবে যে বিজেপি একেবারে বোল্ড আউট হয়ে যায়। আমার একটা পা ঠিক থাকলেও মায়েদের পা দিয়ে এমন বল মারব যে বিজেপি পুরো বোল্ড আউট হয়ে যাবে। সিপিএম কংগ্রেস ভোট কাটতে চায়। বিজেপি আমাকে চমকায় কেন জানেন? 


বিজেপি আমাকে চমকালে আমি ওদের ধমকাই। বিজেপি আমাকে ধমকালে আমি গর্জাই। আর বিজেপি গর্জালে আমি বর্ষাই। আমি এখানে এনপিআর এনসিআর করতে দিই নি আর আগামীদিনেও দেব না। পয়লা এপ্রিল জোড়া ফুলে ভোট দিয়ে বিজেপিকে রাজনৈতিক ভাবে কবর দিতে হবে আপনাদের । যাতে আর কোনোদিন খেলতে  না পারে। এই মাটিতে খেলা হবে আর বিজেপি খালি হবে। নরেন্দ্র মোদী সবকিছু ফেসিলিটি পাবে আর কেউ পাবে না। উনি ন্যাশনাল ফ্ল্যাগ লাগিয়ে ঘুরে বেড়াবেন।উনি তিনটে সরকারি প্লেন ব্যবহার করবেন। আর আমাদের সব ভাড়া দিয়ে করতে হবে।  আমরা কি ছাগলের তৃতীয় ছানা? আর উনি কি ছাগলের প্রথম ছানা?  এই প্রথম ছানাটা কে দূর করে দিন দেশ থেকে। 


বাঁকুড়ার তামলীবাঁধে তৃনমূলের তারকা প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সভা করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সায়ন্তিকা ছোট মেয়ে।  সায়ন্তিকার চোখ দিয়ে আমি বাঁকুড়া কে দেখব। এই বাঁকুড়া থেকে নন্দীগ্রাম বিজেপি হবে খান খান। সায়ন্তিকা বাঁকুড়ায় মাসে তিনবার করে আসবে। বাঁকুড়ায় সায়ন্তিকা ঘর নিয়েছে। আমিও নন্দীগ্রামে ঘর নিয়েছি।  বিজেপি শুধু বড় কথা বলে। কোনো গরীব মানুষ ৫০০ টাকা নিলে বলে তোলাবাজ। আর তোমরা যে কোটি কোটি টাকা নিচ্ছ, তুমি তাহলে কী বাজ? ধান্দাবাজ? তোমরা তোলাবাজের ঠাকুরদাদা। তোমরা মস্তান, গদ্দার,  কয়েকটা মীরজাফর, আর কয়েকটা সিপিএমের হার্মাদ, আর আমাদের কয়েকটা মীরজাফর গিয়ে জুটেছে। এরা সবাই টাকার জন্য লোভী ও ভোগী। ওগুলোর বারোটা বাজবে। ঈশ্বর বারোটা বাজিয়ে দেবে ।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.