ইভিএম কারসাজি মোকাবিলা করতে নির্বাচনে দলের এজেন্টদের চার দাওয়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের - The News Lion

ইভিএম কারসাজি মোকাবিলা করতে নির্বাচনে দলের এজেন্টদের চার দাওয়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

 


দি নিউজ লায়নঃ  ইভিএম এ ভোট নয় ব্যালটে হোক নির্বাচন। বিহার নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে এই দাবি তুলে আসছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর সেই দাবি মানেনি নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন তাই হতে চলেছে ইভিএমেই। এবার তাই ভোট লুঠ রুখতে ইভিএম সংক্রান্ত চার দফা দাওয়াই বেঁধে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের পোলিং এজেন্ট থেকে শুরু করে দলের কর্মীদের অক্ষরে অক্ষরে এই চার দফা দাওয়াই মেনে চলার পরামর্শও দিলেন।


 সোমবার বাঁকুড়ার কোতুলপুর, ইন্দাস ও বড়জোড়ায় তিনটি পৃথক জনসভা করেন তৃনমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রবল দাবদাহকে উপেক্ষা করে প্রতিটি জনসভাতেই  কাতারে কাতারে এলাকার মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন। প্রতিটি জনসভাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে উঠে তুলে ধরেন বহিরাগত ইস্যু থেকে শুরু করে তাঁর উপর অতীতে একের পর আক্রমণের কথা। নির্বাচনে জয়ী হয়ে তৃনমূল তৃতীয় বার সরকার গঠন করলে জঙ্গলমহলের আদিবাসী উন্নয়ন থেকে শুরু করে হিন্দু,  সংখ্যালঘু, পিছিয়ে পড়া শ্রেনী,  তফশিলি জাতি ও উপজাতির উন্নয়নের জন্য সেই সরকার যে ঢালাও কাজ করবে সে কথাও তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 


এরই পাশাপাশি এদিন মময়াত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, খেলা হবে, খেলা হবে,  খেলাতে জিততে হবে। ২৭ মার্চ ও পয়লা এপ্রিল জঙ্গলমহলে দু দফায় নির্বাচন। পয়লা এপ্রিল বোকা বানানোর দিন। ওই দিন সকলে বিজেপিকে বোকা বানান। জঙ্গলমহল জুড়ে ফুটবে জোড়া ফুল আর বিজেপি চোখে দেখবে সর্ষে ফুল। এদিন বিজেপিকে কটাক্ষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার পা এ আঘাত লেগেছে। কিন্তু কষ্ট করেও সব জায়গায় যাচ্ছি। আমি আমার একটা পা দিয়েই এমন শর্ট মারবো যে বাংলার দিকে আর ফিরেও তাকানোর সাহস করবে না। 


এই বাংলা বাংলারই থাকবে। এই বাংলা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,  বিবেকানন্দ ঠাকুরের বাংলা থাকবে। এখানে বহিরাগতদের কোনো স্থান হবে না। এদিনের তিনটি জনসভাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের কর্মীদের সতর্ক করে নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচনের সময় প্রতিটি ইভিএম খুঁটিয়ে দেখতে হবে। ভোট শুরু হওয়ার আগে শুধু মক পোল করলেই চলবে না প্রয়োজনে ইভিএম অন অফ করে দেখে নিতে হবে। ইভিএম খারাপ হয়ে গেলে মা বোনেরা ভোটের লাইনে একটু অপেক্ষা করবেন। ভোট হয়ে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর ভরসা না করে নিজেরা স্ট্রং রুম পাহারা দেবেন। ভোট চলাকালীন বা স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার সময় কেউ বিরিয়ানি, চা বা অন্য কিছু খেতে দিলে একেবারেই খাবেন না। কারন তাতে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে আপনাকে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে ভোট লুঠ করে নিয়ে চলে যেতে পারে। তাই খুব সতর্ক ও চোখ কান খোলা রাখবেন।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.