"সোহম বহিরাগত নয়, ও বাংলার ছেলে, মমতা বাংলার মেয়ে, মমতা বহিরাগত নন, মমতা - The News Lion

"সোহম বহিরাগত নয়, ও বাংলার ছেলে, মমতা বাংলার মেয়ে, মমতা বহিরাগত নন, মমতা

 


দি নিউজ লায়ন;   "সোহম বহিরাগত নয়। ও বাংলার ছেলে। মমতা  বাংলার মেয়ে। মমতা বহিরাগত নন। কাঁথিতে এমনি জেতার ক্ষমতা নেই বাপ-জ্যাঠাদের। উত্তরপ্রদেশ থেকে বন্দুকধারী গুন্ডা এনে ভোট করাচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে" । রবিবার চণ্ডীপুরে তৃনমূল প্রার্থী সোহম চক্রবর্তীর সমর্থনে দলীয় সভা থেকে তীব্র আক্রমন করলেন মমতা। ভোটের চার দিন আগে চণ্ডীপুরে মমতা  তৃণমূলের প্রার্থী সোহম চক্রবর্তী প্রচার সভায় দলনেত্রীর সাথে মঞ্চে ছিলেন অদিতি মুন্সি,এলাকার  বিধায়ক অমিয় ভট্টাচার্য,তৃনমূলের জেলা সভাপতি মন্ত্রী ডঃ সৌমেন মহাপাত্র প্রমুখ। 


মমতা বলেন "১ তারিখে একটা করে ভোট দেবেন, আর বিজেপি-কে মাঠের বাইরে বার করে দেবেন। একেবারে বোল্ড আউট করে দেবন।ইভিএম খারাপ হলে চলে যাবেন না। মেশিন চালু হলে ভোট দিয়ে তবেই যাবেন"।অধিকারীদের নাম না নিয়ে তীব্র আক্রমন করে বলেছেন "এমনি জেতার ক্ষমতা নেই। কাঁথি-ভগবানপুরে কারা সমঝোতা করেছে জানি। কাঁথিতে টাকা ছড়াচ্ছিল জ্যাঠার ছেলে। ওটা কার টাকা? এত পেট্রোল পাম্প, ট্রলার, লঞ্চ, সমব্যায় ব্যঙ্কে এত টাকা কোথা থেকে এল? ভাবছো জানি না? জানি আমার দোষ। চিনতে পারিনি। ভালবেসেছিলাম।এখন বুঝতে পারছি কত ভয়ঙ্কর"। উৎসবের দিন সভা করার জন্যে বলেন " দোলের দিন বিরক্ত করছি আপনাদের। ভোট দোলের মধ্যে পড়লে কী করব?সোহম খুব ভাল ছেলে। 


৩৬৫ দিন দলের কাজ করে। ওকে জিততে দেখতে চাই"।গত ১০ মার্চ এই নন্দীগ্রামেই আহত হন মমতা। সে যাত্রায় প্রচার স্থগিত রেখে কলকাতা ফিরে যেতে হয় তাঁকে।তারপর মাঝে কয়েক বার প্রথম দফার ৭টি আসনে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে পূর্ব মেদিনীপুরে সভা করেছেন  মমতা।দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে পূর্ব মেদিনীপুরে এটা প্রথম সভা তাঁর। দলের ভেতরে থেকে যারা পেছন থেকে আঘাত করার চেষ্টা করছে তাদের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন "কে কোথায় ঘুরছে, কার সঙ্গে সম্পর্ক রাখছে, সব দিকে নজর রাখছি। আমাদের দোষ বড় বড় গদ্দার পুষেছি। মিরজাফর পুষেছি।" 


অভিযোগ করেন  "মেয়েদের ভোট দিতে দিচ্ছে না। হুমকি দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কে এত ক্ষমতা দিয়েছে? বাংলায় থাকার খরচ, খাওয়ার খরচ আমরা জোগাচ্ছি। আর এখানেই লাঠি চালাবে? কার নির্দেশে"।বলেন ভারতে ৪০ শতাংশ বেকার বেড়েছে। বাংলায় দারিদ্রতা কমে গিয়েছে। বেকারত্ব কমেছে। আমরা বাংলায় এনআরসি, এনপিআর করতে দেব না। সংখ্যালঘুদের বলি, হায়দরাবাদ থেকে এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গার সময় কোথায় ছিল? বাংলায় দাঙ্গা হয়নি। আমরা বংলায় সম্প্রীতি বজায় রেখেছি। এদের থেকে সাবধান। বিজেপি-র হাতে স্টেনগান। জনগন সাবধান। একই সাথে আশ্বস্ত বানী শুনিয়ে বলেছেন "নন্দীগ্রামে আপনাদের কাছেই ঘর ভাড়া নিয়েছি। ভোট পর্যন্ত থাকব। ভোট করিয়েই যাব"

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.