প্রধানমন্ত্রীকে বেচারাম মোদী বললেন জ্যোতিপ্রিয়
দি নিউজ লায়নঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন সর্বকালের, সর্ব যুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনা একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। এবারে এভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলে ধরে একুশের নির্বাচনে বিজেপি সহ বিরোধীদের সাফ করার হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগণা জেলার হাবড়া কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে যে প্রতিশ্রুতি যেন তা বাস্তবে পরিণত করে দেখান।
উদাহরণস্বরুপ, কন্যাশ্রী, রুপশ্রী, যুবশ্রী, সবুজসাথী, স্মব্যাথী, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী এমন অনেক জনমুখী প্রকল্প রয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় মোদী সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সাতবছর আগে সক্লের অ্যাকাউন্টে নাকি ১৫ লক্ষ করে টাকা ঢুকয়ে দেবেন! দুই কোটি বেকারের চাকরি দেবেন! এখন আপনারাই বলুন তো, কেউ পেয়েছেন ১৫ লক্ষ টাকা? কেউ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া চাকরি?
আসল কথা হলো, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এমন ভাঁওতা দেন। আজ দেশের রেল, ব্যাঙ্ক, এলআইসির মতো দফতর বিক্রি করে দিচ্ছেন একের পর এক। তাই তো উনাকে নরেন্দ্র মোদী না বলে বেচারাম মোদী বলেই ডাকেন। আপনারাই আজ বলুন, আজ বিচার করুন, নরেন্দ্র মোদীর প্রতিশ্রুতি প্রতিশ্রুতিই থেকে যায়, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে পরিণত হয়। তাহলে কাকে বেছে নেবেন? জ্যোতিপ্রিয় তাঁর হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহাকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি।
জ্যোতিপ্রিয় বলেন, রাহুল সিনহা বলে বেড়াচ্ছেন হাবড়ায় নাকি উন্নয়ন হয়নি! ১০ বছর আগে হাবড়া কি ছিলো আর এখন কি হয়েছে সেটা হাবড়ার বাসিন্দারাই বলতে পারবেন। আমার মনে হয়, রাহুলবাবুর চোখে ছানি পড়েছে। যে কারণে হাবড়ার উন্নয়ন উনি চোখে দেখতে পাচ্ছেন না। তাই আমি বলবো, উনি মমতা ব্যানার্জীর দেওয়া স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে ফ্রিতে চোখের অপারেশনটা করিয়ে নিন। বিজেপি একটা পাগলের দল বলেও কটাক্ষ করেন জ্যোতিপ্রিয়।

Post a Comment