সিরাজদৌলার সম্প্রীতির স্মৃতি উস্কে অধীর দুর্গ বহরমপুরে সবুজ আবির 'হাতে' নয় জোড়া ফুলের জয় নিশ্চিতে মাতলো, নাড়ুগোপাল
দি নিউজ লায়নঃ 'সীমান্তের শহর মুর্শিদাবাদে কয়েক শতাব্দি প্রাচীন ঐতিহাসিক স্মৃতি তুলে রংয়ের উৎসব দোলের মধ্যে দিয়ে সোমবার মেতে উঠল আমজনতা থেকে অধীর গড়ে এবারের প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির বিপরীতে থাকা তার একসময়ের বিশ্বস্ত সেনাপতি তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় ও তার অনুগামীরা। সবুজ আবির এর মধ্যে দিয়ে আগামী ২ রা মে এর ফলাফলে জোড়া ফুল শিবিরের জয় নিশ্চিত করতেই অধীরের দুর্গে এই বাড়বাড়ন্ত বলেই রাজনৈতিক মহলের মতামত। এরই মাঝে জেলার লালবাগ শহরও রীতিমতো সেজে ওঠে তার পুরাতন ঐতিহ্য।
আর হবে নাই বা কেন, এই শহরের বুকেই একসময় খোদ বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব সিরাজদুল্লাহ ব্রিটিশদের সঙ্গে আলিনগরের চুক্তি সেড়ে তড়িঘড়ি ফিরে আসেন নিজের তৈরি করা বিখ্যাত হীরাঝিল প্রাসাদে পরিবার ও প্রজাবর্গের সঙ্গে দোল উৎসবে শামিল হতে। এমন সম্প্রীতির নজির কার্যত অনবদ্য। আর সেই সম্প্রীতির নজির বজায় রেখে এদিন নবাব পরিবারের বংশধররাও নিয়ম রক্ষার্থে দোল উৎসবে শামিল হয়ে জেলাবাসীকে তাদের শুভেচ্ছা জানান।
এই ব্যাপারে নবাবের শেষ বংশধর ছোটে নবাব নামে যিনি পরিচিত লালবাগ শহরে তিনি বলেন,"সিরাজদুল্লাহ সেই সময় থেকে সাধারণ মানুষকে নিয়ে সম্প্রতি বাতাবরণে দোল উৎসবে মেতে উঠতেন। আজ সেই স্মৃতি বজায় রেখে আমরা সকলকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি মন থেকে"। বহরমপুর নৃত্যকলা কেন্দ্র নামের ও পাঠ বিতান তাদের দোলের উৎসব আয়োজন করে। এহেন উৎসবে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নজরকাড়া প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় রীতিমতো রঙের উৎসবে মেতে ওঠেন।
একদিকে যেমন দোল উৎসবে শামিল হন পাশাপাশি জোড়া ফুল শিবিরকে জিতিয়ে আনার অঙ্গীকার করতেও ভুলেন না তিনি। তাইতো সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নির্দ্বিধায় মুচকি হেসে বলেন," শান্তিনিকেতন এর আদলে আমাদের জেলায় আজ দোল উৎসব পালিত হচ্ছে বহরমপুর শহরে। সবুজ আবির ই থাকবে শহরের বুকে, তবে তা জোড়া ফুলের হাতের নয়"। এমন অর্থবহ কথায় রীতিমতো চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তৃণমূল শিবির।
Post a Comment