সস্ত্রীক দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেও অন্য কোনো দলে যাচ্ছেন না নান্টু পাল
দি নিউজ লায়নঃ নির্দল হিসেবেই দাঁড়বেন নান্টু পাল। সস্ত্রীক দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেও অন্য কোনো দলে যাচ্ছেন না তিনি। তৃণমূলের পরামর্শ মেনেই এক্ষুনি দল পরিবর্তন করছেন না জানালেন শিলিগুড়ি তৃণমূল নেতা তথা এসজেডিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান নান্টু পাল। সোমবার নান্টু পাল বলেন- দীর্ঘ সময় ধরে তৃনমূল করেছি। হ্যাঁ এটা ঠিক বামে ছিলাম পরে কংগ্রেস ও এরপর তৃনমূলে আসি। ভালো খেলোয়াড়দের সবাই চায়। তবে অশোক ভট্টাচার্য্যকে শিলিগুড়িবাসী চাইছেন না।তিনি কোনো কাজ করতে পারেননি।
এসজেডিয়েতে এলইডি লাইট এসে পড়ে আছে শুধুমাত্র পুরনিগমের সদর্থক ভূমিকা না থাকায় তা শহরে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। অথচ শিলিগুড়িতে বহু জায়গায় রাস্তার বৈদ্যুতিক আলো জ্বলছে না। শিলিগুড়িতে অশোকবাবুর জন্য কোনো কাজ করা যাচ্ছে না। শিলিগুড়ি বিধানসভায় আগে চা বাগান,সেবক অন্তর্ভুক্ত ছিল। এখন নেই। সুতরাং ৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে খুবই ছোট পরিসরের কেন্দ্র।
সেখানে অশোক বাবু চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার বদলে দিনরাত রাজনীতি করে চলেন। এবারে বিধানসভায় তৃনমূলের স্লোগানকে সঙ্গী করেই নান্টু পাল বলেন এক্ষেত্রে শিলিগুড়িতে খেলতে হলে ভালো খেলোয়াড় দরকার। সেই খেলার উপযুক্ত পরিবেশ দরকার।সেখানে শিলিগুড়ির শহরের বাইরে থেকে আসা তৃনমূল প্রার্থী ওম প্রকাশ মিস্রা অশোকবাবুর বিরুদ্ধে জয় আনতে পারবেন না। তিনি বহিরাগত হওয়ায় মানুষ তাকে মানছে না।
তিনি ভালো খেলোয়াড় নন। তাই তৃনমূল নেতা, এসজেডিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান ও শিলিগুড়ি পুরনিগমের তৃনমূল কোঅর্ডিনেটর নান্টু পাল ও তার স্ত্রী মঞ্জুশ্রী পাল সোমবার দল ও পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান। নান্টু পাল জানান আমি ও আমার স্ত্রী দুজনের দল ছাড়ছি। দল ছেড়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে শিলিগুড়ি কেন্দ্রে ভোট প্রার্থী হবো। স্ত্রী ১২নাম্বার ওয়ার্ডের কো অর্ডিনেটর মঞ্জুশ্রী পাল জানান আমিও দল ছাড়ছি। স্বামীর সঙ্গে ভোট প্রচারের সঙ্গী হবো।
অন্যদিকে মন্ত্রী গৌতম দেব এই বিষয়ে বলেন ওকে নেত্রী অত্যন্ত স্নেহ করেন। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম স্নেহ করেন তাই এসজেডিয়ের পদ দিয়েছিলেন। নান্টু পালকে আমি অনেক বুঝিয়েছি।ওর শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। ওর সিদ্ধান্ত দুর্ভাগ্যজনক।চারবার দল পাল্টেচ্ছে আর পাঁচবারের জন্য নাই না প্লাটালো এটাই বলবো। তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি এতে ধুলোয় মিশে যাবে।

Post a Comment