তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীদের ফাঁসি দেওয়ার দাবি করলো তৃণমূল কংগ্রেস
দি নিউজ লায়নঃ শনিবার খড়্গপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জনসভা করে বক্তব্য রাখার পর পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে বিজেপি কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ওপর হামলা ও অত্যাচার শুরু করেছে ।ঝাড়গ্রামে জেলার ঝাড়গ্রাম থানার নেতুরা এলাকায় রবিবার রাতে নৃশংসভাবে এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী কে খুন করা হয়েছে বলে তৃনমূলের অভিযোগ। মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম দুর্গা সরেন।তার বাড়ি গোপীবল্লভপুর বিধানসভার অন্তর্গত ঝাড়গ্রাম ব্লকের আগুইবনি অঞ্চলের পিন্ডরাকুলি গ্রামে। তৃণমূল কংগ্রেসএর ওই কর্মীকে খুন করে নির্লজ্জভাবে বিজেপি নেতারা বিজেপি কর্মীদের ওপর সে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।
যে ঘটনা কেন্দ্র করে ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে ধিক্কার জানান সাধারণ মানুষ ।বিজেপি হাতে তৃনমূলের কর্মী খুন হয়েছে শুনে ওই ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী বিরবাহা হাঁসদা ও তৃণমূল কংগ্রেসের ঝাড়গ্রাম জেলার কো-অর্ডিনেটর অজিত মাহাতো। বিরবাহা হাঁসদা বলেন সুপরিকল্পিতভাবে দলের ওই কর্মীকে খুন করা হয়েছে তার স্ত্রী আহত হয়েছে। এভাবে তৃণমূল কংগ্রেসএর কর্মীকে খুন করে তৃণমূল কংগ্রেসকে রোখা যাবে না। তিনি ওই ঘটনার নিন্দা করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার দাবি জানান ।
তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অজিত মাহাতো বলেন রবিবার সকালে ওই এলাকায় বিজেপির বিরুদ্ধে টাকা ছড়ানোর অভিযোগ উঠে যে ভিডিওটি গোটা জেলা জুড়ে ভাইরাল হয়েছে। তারপরে এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের আগুইবনি অঞ্চলের নেতৃত্ব দুর্গা সরেন কে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। তিনি বিজেপির অভিযুক্ত খুনিদের ফাঁসির দাবি জানান । সেই সঙ্গে তিনি অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যেমন উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তেমনি ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সামনে প্রচুর তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ও ও সমর্থক শামিল হয়েছে।যার জন্য ঝাড়গ্রাম হাসপাতাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ।নির্বাচনের মাত্র হাতে গোনা কয়েক দিন আগে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো গোটা জঙ্গলমহল জুড়ে ফের সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চক্রান্ত শুরু করেছে বিজেপি বলে তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে। যদিও বিজেপি দলের পক্ষ থেকে ওই ঘটনার কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

Post a Comment