বামের ঘর ভেঙে আনা অশোকের পেয়াদাকেই শিলিগুড়ি লাল দুর্গে প্রার্থী করলো পদ্ম বাহিনী
দি নিউজ লায়ন; বামের ঘর ভেঙে আনা অশোকের পেয়াদাকেই শিলিগুড়ি লাল দুর্গে প্রার্থী করলো পদ্ম বাহিনী। শঙ্করের গেরুয়া মেরুকরনের সাতদিন সময়সীমার মধ্যেই চুক্তি মোতাবেক তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা বিজেপির। ত্রিশ বছরের বাম মতাদর্শে চলা শঙ্কর ঘোষের লাল রঙ ফিকে হয়ে সম্পূর্ণ গেরুয়া হতে চাই বেশ কিছুটা সময়। সদ্য চলতি মাসের ১০তারিখ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তিন দশক ধরে অশোকের খাস পেয়াদা বাম যুব নেতা শঙ্কর ঘোষ। হাতে এখনও জ্বল জ্বল করছে চে গুয়েভারার ট্যাটু। সেই ট্যাটু নিয়েই এবারে ধর্মের নামে রাজনীতির গান গাইবে শঙ্কর ঘোষ।
যা নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে আম জনতার মাঝে তীব্র সমালোচনার পারদ চড়ছে। বাম ছেড়ে তার রামে যোগদান পর থেকেই আমসাধারনের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাগাতার ট্রোলের মুখে পড়েছেন তিনি। বিজেপির নেতাদের মুখ শহরবাসী চেনেন না তাই ভোট প্রার্থী হিসেবে একটি চেনা মুখ যেন-তেন-হেন প্রকারে চাইছিল রাজ্য বিজেপিও নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা অশোক বাবুর পাশে ছায়াসঙ্গীর মতো থাকা বাম ছাত্র সংগঠন থেকে যুব নেতা হয়ে ওঠা শঙ্কর শহরে পরিচিত মুখ তাই দলের অন্দরে থেকে শঙ্করের অশোক বিদ্বেষকে কাজ লাগিয়ে বড় দানের টোপ ফেলে বিজেপি।
আর অশোকতন্ত্রের বিরুদ্ধেই চোখ রাঙাচ্ছে এবার শঙ্কর। যদিও বৃহস্পতিবার প্রার্থী ঘোষণার পর অশোকবাবু বলেন আমার কোনো মন্তব্য নেই, তিনি শঙ্করের নাম না করে বলেন তার ওয়ার্ডেই সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন তিনি। এদিকে শঙ্কর ঘোষের কথায় লড়াই যে শুধু গুরু অশোকের বিরুদ্ধেই তা স্পষ্ট করে দেন এদিন তিনি। শুধু বিধানসভা নয় অশোক বাবুর পুরনিগমের আসন নিয়েও তার ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে শঙ্কর। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলের মন্তব্য রাম বামের গুরু-শিষ্যের কাঁদা ছোড়াছুড়িকে ভালো চোখে দেখছেন না মানুষ। সেক্ষেত্রে তাদের এই ব্যক্তিগত লড়াই তৃণমূলকে এগিয়ে দেবে। মানুষ তৃণমূলের বিবেচক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এর ওপরই আস্থা রাখবে।
Post a Comment