ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া মুক্ত বাংলা গড়ার জন্য দিদিকে হারানোর ডাক দিলেন অমিত শাহ - The News Lion

ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া মুক্ত বাংলা গড়ার জন্য দিদিকে হারানোর ডাক দিলেন অমিত শাহ

 


দি নিউজ লায়ন;  বৃহস্পতির ছিল প্রথম পর্বের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট প্রচারে শেষ দিন । তাই নির্বাচনী প্রচারে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজেপি।  বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর বিধানসভার অন্তর্গত সাঁকরাইল ব্লক এর  রগড়াএলাকায় বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওই সমাবেশে মঞ্চে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর এর বিজেপি দলের প্রার্থী সঞ্জিত মাহাতো, ঝাড়গ্রাম এর প্রার্থী সুখময় সৎপথি , বিনপুরের প্রার্থী পালান সরেন ও নয়াগ্রাম এর  প্রার্থী বকুল  মুর্মু,বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি তুফান মাহাতো সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।


 প্রকাশ্য সমাবেশে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার বন্ধু হলো মমতা ।  বাংলা থেকে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া তখনই যাবে যখন দিদি বাংলা থেকে বিদায় নেবে। তাই  তিনি বলেন ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া মুক্ত বাংলা গড়ার জন্য দিদিকে হারাতে হবে। অমিত শাহ তার ভাষণে আরো বলেন যে ঘরে ঘরে শুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করবে বিজেপি ক্ষমতায় এলে। সেই সঙ্গে সুবর্ণরেখা নদীর উপর  বাঁধ তৈরি করা হবে। খেলা হবে বলে ভয় দেখাচ্ছে দিদি । বাংলাকে হিংসামুক্ত করবে বিজেপি। 


বাংলায় শুধু হিংসার রাজনীতি চলছে । তিনি তার ভাষণে আরো বলেন যে আদিবাসীদের উন্নয়নে কাজ করছে নরেন্দ্র মোদি। আর বাংলায় ভাইপোর উন্নয়নে কাজ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা থেকে সিন্ডিকেট ,তোলাবাজি ,কাটমানি কে বিদায় জানাতে হলে দিদিকে হারাতে হবে। দলীয় কর্মীদের তিনি বলেন আগামী ২৭ শে মার্চ ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী করতে হবে। 


আপনারা ভয় পাবেন না কারণ এবার রাজ্যের পুলিশ নির্বাচনের দায়িত্বে নেই। নির্বাচন করার দায়িত্বে রয়েছে নির্বাচন কমিশন এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃণমূল কংগ্রেস এর কাছে কাছে বিজেপি কোন দিন মাথা নত করবে না ।তবে এদিন আর সোনার বাংলা গড়ার কথা শোনা যায়নি অমিত শাহের মুখে। শুধু ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া মুক্ত বাংলা গড়ার তিনি ডাক দেন। ওই সমাবেশে ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভা এলাকা থেকে হাজার পাঁচেক মানুষ সামিল হয়েছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.