রঞ্জন মেইন ক্যাপ্টেন এখানে- শিলিগুড়িতে নেমেই তৃনমূল সুপ্রিমোর সাজেশন প্রার্থী ওম প্রকাশকে
দি নিউজ লায়ন; রঞ্জন মেইন ক্যাপ্টেন এখানে- শিলিগুড়িতে নেমেই সুপ্রিমোর সাজেশন তৃনমূল প্রার্থী ওম প্রকাশকে। দার্জিলিং জেলা তৃনমূল সভাপতি রঞ্জন সরকারের ওপরই ন্যস্ত শিলিগুড়ির দায়ভার। শিলিগুড়ির পাড়া,মহল্লা থেকে অলিতে-গলিতে কাছের মানুষ হয়ে উঠেছেন রঞ্জন সরকার। তাই শিলিগুড়ির সামাজিক রাজনৈতিক প্রেক্ষিপটের বিচারে তার মতো পারদর্শী নেতা খুব কম।তাই বাগডোগড়া বিমানবন্দরে নেমেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য,মিমি,নুসরত,কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সামনে শিলিগুড়ি বিধানসভার তৃনমূল প্রার্থী ওম প্রকাশ মিশ্রাকে নেত্রী পরামর্শ দেন শিলিগুড়ির সহ দার্জিলিং জেলা সমতলের ক্যাপ্টেন রঞ্জন সরকার।দলীয় নির্বাচনী যাবতীয় দায়ভার সবটার সামলাবেন রঞ্জন সরকারই।
মূলত নেত্রী এদিন প্ৰথমেই প্রার্থীকে বুঝিয়ে দেন দল পরিচালনা থেকে নির্বাচনী ম্যাচের একমাত্র অধিনায়ক রঞ্জন। তার পরিকল্পনামাফিকই শিলিগুড়িতে দলীয় নির্বাচনী রনকৌশল ঠিক হবে। তিনি যেভাবে বলবেন নির্বাচনী লড়াইতে ঘাস ফুল শিবিরের টিম ঠিক সেভাবেই প্রস্তুতি নেবে। নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থী কোথায় থাকবেন,কখন প্রচারে নামবেন? কিভাবে প্রচার চালানো হবে সবটাই রঞ্জন সরকারের স্ট্র্যাটেজি মেনেই হবে। প্রার্থী ওম প্রকাশ বাবুও বলেন রঞ্জন সরকার, প্রত্যুল চক্রবর্তী, ও জেলা নেতৃত্বরা যেভাবে বলবেন ঠিক সেভাবেই কাজ করবো। কারন তাদের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়েই নির্বাচনী লড়াই সম্ভব। তিনি জানান আমি মালবাজারের বাসিন্দা, অধ্যাপনা ও দলীয় কাজে কলকাতায় থাকি।
তার বাবা শ্রমিক সংগঠনের হয়ে কাজ করতে গিয়ে বাম আমলে ডুয়ার্সে আততায়ীদের হাতে খুন হন। ওম প্রকাশ বাবু বলেন কিছুদিন আগেই দেড় মাস প্রায় টানা জলপাইগুড়িতে ছিলাম দলীয় কাজে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বই পাঠিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার দলের তরফে নেত্রীর নির্দেশ আসে আমার কাছে যে আমি শিলিগুড়িতে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবো। আমি নিজেও খানিক আশ্চর্য্যচকিত হই তবে নেত্রীর নির্দেশ যখন রয়েছে তাহলে তার পেছনে তাঁর বৃহত্তর ভাবনা রয়েছে তাই রাজি হয়ে যাই। অন্যদিকে তাঁর ছাত্র জীবনের রাজনৈতিক হাতে খড়ি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই। তিনি বলেন বর্তমান এই সময়টা সাম্প্রদায়িক বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দল তথা শক্তিগুলিকে এক হতে হবে।
একইসঙ্গে ময়দানের নেমেই তৃণমূল প্রার্থীর ওম প্রকাশ মিশ্রের নিশনায় এদিন ছিলেন বাম শিবিরের সেনাপ্রধান অশোক। নাম না করে তিনি অশোক ভট্টাচার্য্যকে আক্রমনের নিশানায় রেখে বলেন আপনার ভোট গুলোকে যদি অন্য দলকে দিয়ে দেন সেটা গড় বলবে না সেটাকে ভোটের ক্রয় বিক্রয় বলবে! অশোক ভট্টাচার্য্য নাম না করে তার নেতৃত্বে চলা শিলিগুড়িতে বামশিবিরকে কটাক্ষ সুরে বিঁধে তিনি বলেন আপনার দখলে পুরনিগম শিলিগুড়ি বিধানসভা রয়েছে। ২০১৬সালে বিধানসভায় ৭৮০০০হাজার ভোট নিয়ে জিতলেন আর তা উল্টে ২০১৯এর লোকসভায় বামেদের প্রার্থী সমন পাঠকের ভোট ১৩০০০হাজারে গিয়ে নামলো। তিনি বলেন আপনার দলের দখলে যে আসন রয়েছে সেখানে তার ভোট কমে যদি মাত্র ১৩০০০হাজারে নেমে আসে সেটাকে ভোটের ক্রয় বিক্রিয় বলবো নাকি আদান প্রদান বলা উচিত আমি ঠিক জানি না!

Post a Comment