শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার সিদ্ধান্ত নান্টু পালের
দি নিউজ লায়নঃ শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার সিদ্ধান্ত নান্টু পালের। রবিবার তিনি তৃনমূল শীর্ষ নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠক করার পর নিজের সিদ্ধান্ত জানান। শিলিগুড়ির তাব্বড় তৃনমূল নেতা নান্টু পাল। তৃণমূলের তরফে ওম প্রকাশ মিশ্রকে প্রার্থী করা হয়। এরপরই দলের সঙ্গে আলোচনার পর শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এদিন নান্টু পাল সংবাদ মাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান- এদিন সকালে শিলিগুড়ি মৈনাক ট্যুরিস্ট লজে সদ্য প্রাক্তন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব, তৃনমূল রাজ্য নেতৃত্ব অরূপ বিশ্বাস ও জেলা সভাপতি রঞ্জন সরকার, এসজেডিয়ে চেয়াম্যান তথা তৃনমূল নেতা বিজয় চন্দ্র বর্মনের সঙ্গে বৈঠক করেন।
নান্টু বাবু বলেন সেখানে দল তাকে বলেছে নির্দল প্রার্থী হিসেবে তিনি দাঁড়াতেই পারেন, তবে অন্য কোনো দলে যেন তিনি যোগদান না করেন। নান্টু বাবু জানান বৈঠকে থাকা সবার কাছে আমি আমার বক্তব্য পেশ করি -যে মানুষ চাইছে শিলিগুড়ির উন্নতি। আগে শিলিগুড়ি বড় ছিল,এখন শুধু ৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে রয়েছে ছোট এলাকা।অশোক ভট্টাচার্য সেখানে ব্যর্থ হয়েছেন পরিষেবা দিতে। শহরের অবস্থা শোচনীয়। তিনি বলেন খেলার ভাষায় বললে শিলিগুড়ির মানুষ স্থানীয় খেলোয়াড় চাইছে।আমি দু একবার জার্সি বদল করলেও গোল করেছি যেই দলেই গিয়েছি। আমাকে মানুষ আশীর্বাদ করেছে সেক্ষেত্রে। তিনি জানান আমি জানতে পেরেছি পিকের টিম যে সার্ভে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে আমার নাম এক নম্বরে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে আমার নাম কেটে দিয়ে যাকে দেওয়া হয়েছে তাকে শিলিগুড়ির মানুষ চেনেনা। তার হেরে যাওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। আর সে হেরে গেলে শুনতে হবে তৃনমূল কাজ করেনি। তা সত্য নয়।
আর বারবার কাজ করতে না পারার সত্বেও অশোক ভট্টাচার্য জিতবে এটা হয়না। অশোক কে আক্রমন করে তিনি বলেন-কাজ করতে পারছেন না,তিনি বুড়ো হয়ে গিয়েছেন। তার এখন বই লেখার সময়। অন্যদিকে তিনি জানান দল বলেছে অন্য দলে না যাই। সে কথা আমি শুনছি,দল ছাড়ছি না। কিন্তু নির্দল থেকে দাঁড়াবো। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকেই প্রেরণা পেয়েছি। তিনি সবসময় বলেন চ্যালেঞ্জ নিতে শেখো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তার অনুপ্রেরণাকে সঙ্গী করেই এই সিদ্ধান্ত। এদিন তিনি ও তার স্ত্রী তৃনমূল কো অর্ডিনেটর মঞ্জুশ্রী পাল দুজনেই দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান। একইসঙ্গে নান্টু পাল এসজেডিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন। তিনি জানান মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে সমস্ত দলীয় ও সরকারী পদ থেকে নিয়ম মেনেই ইস্তফা দেবেন তিনি।

Post a Comment