প্রচারের ফাঁকে সায়ন্তিকা কখনো গ্রামের মহিলার সাথে কুলোয় বাছলেন সরষে তো কখনো ধামসা মাদলের তালে পা মেলালেন আদিবাসী মহিলাদের সাথে
দি নিউজ লায়নঃ বোধহয় শেখার শেষ নেই। শিখতে চান সায়ন্তিকাও। মানুষের সাথে মিশে শিখতে চান রাঢ় বাঁকুড়ার মানুষের জীবন জীবিকা, দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্ম। শিখতে চান রাঢ় বাঁকুড়ার মানুষের শিরা ও ধমনিতে বয়ে চলা আদিবাসী সংস্কৃতির ধরণ ধারণ। ভোট প্রচারে বেরিয়েও সেই ছবি ধরা পড়ল সায়ন্তিকার আচরণে। কখনো তিনি গ্রামীন মহিলার হাত থেকে কুলো নিয়ে বাছাই করলেন সরষে। আবার কোথাও ধামসা মাদলের তালে আদিবাসী রমনীদের হাতে হাত রেখে পা মেলালেন নাচের ছন্দে।
বললেন প্রচারে বেরিয়ে মানুষের সাথে মিশে ধীরে ধীরে চিনছি লালমাটির বাঁকুড়াকে। সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মে বেড়ে ওঠা কলকাতায়। পেশার প্রয়োজনে জেলায় গেলেও সেলিব্রিটি হওয়ার যন্ত্রণায় সেভাবে মেশা হয়নি মানুষের সাথে। কিন্তু এবার তাঁর যাত্রা অন্যপথে। সেলিব্রিটি হিসাবে নয় তৃনমূলের প্রার্থী হয়ে স্রেফ সায়ন্তিকা হিসাবে তিনি বাঁকুড়ার গ্রাম গঞ্জ ঘুরে প্রচার চালাচ্ছেন। এখানে লাইট, আকশান, ক্যামেরার কমান্ড নেই, নেই সেলিব্রিটির মোড়কে নিজেকে মুড়ে রাখার কর্পোরেট দায়বদ্ধতা।
তাই প্রচারে বেরিয়ে নিজের মতো করে বাঁকুড়াকে চিনতে চাইছেন সায়ন্তিকা। আর তাই কখনো প্রচারের ফাঁকে কখনো তাঁর দেখা মিলছে অভিজাত লন টেনিসের কোর্টে তো আবার কখনো একেবারেই মাটির কাছাকাছি থাকা গরীব কৃষক পরিবারের উঠোনে গ্রাম্যবধূর মতো কুলো হাতে সরষে বাছাই করতে। রাঢের নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে পরিচিতি ঘটাতে কখনো নিজের প্রচারে অংশ নেওয়া সাওতাল মহিলাদের সাথে ধামসা মাদলে পা মেলাচ্ছেন তিনি। মেলাচ্ছেন গলাও। আজ অন্তত বাঁকুড়ার আধারথোল গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরুন্ডি, পাটদেউলি, তেওয়ারি গ্রামের মানুষ এই ভিন্ন সায়ন্তিকাকেই দেখল।


Post a Comment